post
সংবাদ

তাজরীন ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ; মামলার বিচারে নেই অগ্রগতি

২৪ নভেম্বর। বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের শোকের দিন। আজ থেকে ১১ বছর আগে ২০১২ সালের আজকের এই দিনে আগুন লাগে, আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরিন ফ্যাশনের আটতলা ভবনে।ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়, সেদিন ১১২ জন শ্রমিক মারা যান। এ ঘটনায় আহত হন আরও কয়েকশ শ্রমিক। সে সময় অভিযোগ ওঠে আগুন লাগার পর মেইন দরজা বন্ধ কোরে দেয়া হয়েছিল। এমন অভিযোগে সেসময় মামলাও হয়েছিল। তাজরীন গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচারে, আজও কোনো অগ্রগতি নেই। বারবার সাক্ষগ্রহন পিছিয়ে চলেছে মামলার কার্যক্রম।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

অবকাঠামোগত উন্নয়নে আধুনিক জীবনের সুযোগ পেলো দক্ষিন জনপদের মানুষ !

আওয়ামী লীগ সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাল্টে গেছে অবহেলিত বরিশালের বাকেরগঞ্জের দৃশ্যপট।গত এক দশকে পুরো উপজেলার চিত্র বদলে, এখন আধুনিক জীবনযাপন করছে এ অঞ্চলের মানুষ। পদ্মা সেতু’সহ বাকেরগঞ্জ সীমান্তে পায়রা সেতু,তুলাতলী সেতু,শেখ হাসিনা সেনা নিবাস নির্মাণ হওয়ায়,পাল্টে গেছে পৌর শহর’সহ মহাসড়কের দৃশ্য।এখন দেখলে মনে হয় যেনো মহানগরীর ব্যস্ততম কোনো স্থান। বরিশালের বাকেরগঞ্জ একসময় দক্ষিনের অবহেলিত জনপদের নাম। বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নে,নদীবেষ্টিত এই উপজেলার দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। ৪ টি ইউনিয়ন বাদে বাকী ১০ ইউনিয়ন ছিল নদী বিচ্ছিন্ন।এ কারনে উপজেলা সদর কিংবা জেলা সদরের সাথে লাখো মানুষের যাতায়াতে জনদূর্ভোগ ছিল চরমে। তুলাতলী সেতু নির্মান করায় ১০টি ইউনিয়নের মানুষের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে,উপজেলা সদরের সাথে।১৪ টি ইউনিয়নে কাঁচা,পাকা সড়ক নির্মান ও সংস্কারের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন হয়েছে। বর্তমানে গোমা সেতুর কাজ চলমান রয়েছে,যা উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মানুষের জেলা সদর সহ সরাসরি ঢাকার সাথে যোগাযোগ সহজ করবে। পায়রা সেতু নির্মাণ এবং বাকেরগঞ্জ সীমান্তে শেখ হাসিনা সেনা নিবাস তৈরী করায় পুরো উপজেলার চিত্র বদলে গেছে। উপজেলা মডেল মসজিদ,শেখ রাসেল স্টেডিয়াম,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহুতল আধূনিক ভবন শোভা পাচ্ছে পুরো উপজেলা জুড়ে।বাকেরগঞ্জ এখন দক্ষিনের সুখ সমৃদ্ধির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনপদে পরিনত হয়েছে।চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা চাইছেন সাধারন মানুষ।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা উত্তর জনপদের মানুষের

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণায় উত্তর জনপদের মানুষের মধ্যে বইছে,আনন্দের জোয়ার। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে, রংপুর তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ এবং এলাকাবাসী। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী,এমনটাই আশা তিস্তা পাড়ের মানুষের। শত প্রতিকূলতার পাহাড় ডিঙিয়ে অবশেষে রংপুর জিলা স্কুল মাঠের লাখো মানুষের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর ঐতিহাসিক এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে সূচিত হয়েছে,উত্তর জনপদের কোটি মানুষের স্বপ্নযাত্রা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণায় খুশি তিস্তা পাড়ের মানুষ। শুধু ঘোষণা নয়, দ্রুত কাজ শুরুর আকুতি জানিয়েছেন তারা।প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় তিস্তা পাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন জাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজের উদ্বোধন হবে বলে জানান,তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী। পদ্মা সেতু যখন বাস্তবায়ন হয়েছে,নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তাও বাস্তবায়ন হবে এমন আশা ব্যক্ত করেন,রংপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা,মেয়র। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা উদ্বোধনের অপেক্ষায় এখন তিস্তাপাড়ের মানুষ।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি না এলেও তাদের অনেক নেতাই নির্বাচনে আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি নির্বাচনে না আসলেও তাদের অনেক নেতাই নির্বাচনে অংশ নেবে, তারা ভাগ হয়ে গিয়েছে- বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সাথে বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন জাতিসংঘ প্রতিনিধিকে জানানো হয়েছে, বিএনপির অনেকে তৃণমূল বিএনপি ও বিএনএফ থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও যারা বাইরে আছেন তাদের অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন। বিএনপির অনেক নেতাকর্মী দলটির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি মানতে পারছেন না, তারা সবাই নির্বাচনমুখী হয়ে গেছেন, অনেকে সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন।

post
বাংলাদেশ

দল -জোট ভাঙ্গানোর অভিযোগ বিএনপির,আওয়ামীলীগ বলছে কাউকে নির্বাচনে জোর করা হচ্ছে না

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক বছর গুলোতে জোট নির্বাচনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দল ভাঙ্গনেরও অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন বড় বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন নিরুত্তাপ থাকার পর সাম্প্রতিককালে আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে বিএনপিকে ভাঙ্গা না-ভাঙ্গা নিয়ে।দলে ভাঙন ধরানোর জন্য আবারও চেষ্টা চলছে—বিএনপি এমন অভিযোগ করলেও জবাবে সরকার বলছে, এমন কোনো চেষ্টা তাঁদের নেই। এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে বাকযুদ্ধ যেমন চলছে, তেমনি একে অপরকে ঘায়েল করার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে রাজনীতির বিশ্লেষনী মাঠে।সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বিচ্ছিন্ন করতে সরকারের চেষ্টার মধ্যে এখন বিএনপিকে ভাঙতে সরকার তৎপর বলে অভিযোগ উঠছে।অবশ্য বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়েছে বিএনপির একসময়ের দীর্ঘস্থায়ী শরিক, অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট যুক্তফ্রন্টের আত্মপ্রকাশের পরে। এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেছেন, দল, ভেঙ্গে জোট ভেঙ্গে জনগনের যৌক্তিক দাবীকে ম্লান করা যাবে না। দলটির আরেক শীর্ষ নেতা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদীন বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে জোর জবরদস্তি করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর অনেক নেতাকে চাপে ফেলে দলছুট করানো হচ্ছে। তবে ভিন্ন কথা বলছেন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি দাবী করছেন, কাউকেই নির্বাচনে আসার জন্য জোর করা হচ্ছে, দল ছাড়ানোর প্রশ্নই তো নাই।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত

৫২তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল প্যাট্রিক ম্যাটলক। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহেদুল ইসলামও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ইউএস মেরিন কোরের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল গেরি গ্ল্যাভি, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মিজ আফরিন আক্তার এবং মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিমাস হুইটসেলও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক ড. আহমাদ কায়কাউসও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল প্যাট্রিক ম্যাটলক তার বক্তৃতায় জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষা এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে জনগণের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা ও নিঃস্বদের আশ্রয় প্রদান এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়নে সম্মুখ ভূমিকা পালন করছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে বাংলাদেশকে বিশ্বের বৃহত্তম সৈন্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করে প্যাট্রিক ম্যাটলক বলেন, বাংলাদেশি সেনাদের এই অবদানে বিশ্ব আজ কৃতজ্ঞ। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বর্তমান অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন আগামী বছরগুলোতে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য এই অংশীদারিত্ব আরো মজবুত হবে। রাষ্ট্রদূত ইমরান বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালি জাতি তার দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত স্বাধীনতা অর্জন করে। মুক্তিযুদ্ধে মহান আত্মত্যাগের জন্য তিনি সশস্ত্র বাহিনীর বীর সদস্যসহ ত্রিশ লাখ শহিদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বহুমুখী সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন দুই দেশ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে অভিন্ন মতামত বিনিময় করছে। রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র অতীতে বাংলাদেশের উন্নয়নের অভিযাত্রায় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করেছে এবং বাংলাদেশ এ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী । ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহেদুল ইসলাম সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিদের স্বাগত জানান এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো উন্নয়নে অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) মোঃ রাশেদুজ্জামান। এর আগে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও ডিফেন্স অ্যাটাচে এবং পেন্টাগন, স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও অন্যান্য মার্কিন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনায় আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি কর্তৃক কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

post
এনআরবি বিশ্ব

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৩ পালিত

আজ ৫৩তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে এক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়েরে ল্যাক্রুয়া, অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে, নিরাপত্তা বিভাগের এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল উনাইসি ভুনিওয়াকা, জাতিসংঘের মিলিটারি এডভাইজর জেনারেল বিরামে ডিওপসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ (স্থায়ী প্রতিনিধি) ও সামরিক উপদেষ্টাগণ (মিলিটারি এডভাইজর) অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মুহিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদ এবং দুই লক্ষেরও বেশি নির্যাতিত নারীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের কারণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। এসময় তিনি ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হওয়া মহান মুক্তিযুদ্ধে নবগঠিত সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা, দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও নানাবিধ উন্নয়ন কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধবিধস্ত দেশের পুনর্গঠনে প্রশংসনীয় অবদান রাখছে। এসকল কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।আগত অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অধিকতর আধুনিকায়নে বিভিন্নমূখী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এই উদ্যোগসমূহের বাস্তবায়ন সশস্ত্র বাহিনীকে আরো দক্ষ ও শক্তিশালী করে তুলবে। সর্বোপরি, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”অনুষ্ঠানে দেশে ও বিদেশে সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে একটি তথ্যবহুল ব্রিফিং প্রদান করেন মিশনের ডিফেন্স এ্যাডভাইজার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাদেকুজ্জামান। বক্তব্য পর্ব শেষে স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আগত অতিথিদের নিয়ে কেক কাটেন এবং সকলকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। এসময় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবর্গ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ যে অবদান রেখে যাচ্ছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসময় তাঁরা সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আবেদন করেছে ইইউসহ ৪ বিদেশি সংস্থা

বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ৪টি আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং ১২টি দেশের সাংবাদিক আবেদন করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে বিদেশী পর্যবেক্ষক হিসেবে আবেদনের সময় আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। 

post
শিক্ষা

হরতাল-অবরোধে ভোগান্তির প্রতিবাদে বিভিন্নস্থানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিরাপদ পরিবেশে স্কুলে যাওয়া ও যথাসময়ে পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে তারা মানববন্ধন অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সহমত জানিয়েছেন শিক্ষকরাও। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে, তেজগাঁও আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ, তেজগাও মডেল স্কুল,নাখালপাড়া হোসেন আলি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা,হরতাল অবরোধের প্রতিবাদে, নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা ও যথাসময়ে পরিক্ষা দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেন। শিক্ষার্থীদের দাবীর সাথে সহমত জানিয়েছেন শিক্ষকরাও। স্কুলে যেতে সড়ক পথে প্রায়ই শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মসূচীর কারনে নির্দিষ্ট সময়ে পরিক্ষা দিতে পারেনা শিক্ষার্থীরা। তাই তাদের নিরাপদ ভবিষ্যতের কথা ভেবে, এসব রাজনৈতিক কর্মসূচী থেকে বিরত থাকার আহবান জানান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

post
বাংলাদেশ

জনসমর্থন না থাকলে,আগুন সন্ত্রাস করে কিছু অর্জন করা যায়না: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের সমর্থন না থাকলে, মানুষ পুড়িয়ে আগুন সন্ত্রাস কোরে কোন কিছু অর্জন করা যায়না। বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা এবং ২০২২-২৩ সালে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সদস্যদের পদকে ভূষিতকরণ অনুষ্ঠানে, তিনি একথা বলেন। এসময় নাশকতাকারীদের শুভবুদ্ধি হবে বলেও প্রত্যাশা জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তৃতায় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। এখনও দেশ রক্ষা ও উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের উন্নত জীবন ও যোগ্য সম্মান দিয়েছে তার সরকার। স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশ বিরোধী অপশক্তির নাশকতা থেমে নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে অশান্ত করতে আগুন সন্ত্রাসীরা আবারো মাঠে নেমেছে। তবে এভাবে আগুনে মানুষ পুড়িয়ে কোন কিছুই অর্জন করা যায় না।পরে স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেয়ার পাশাপাশি, অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, শান্তিকালীন পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে মঙ্গলবার সকালে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ও পরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল এসময় গার্ড অব অনার প্রদান করে। এসময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.