post
বাংলাদেশ

নাশকতা বা সন্ত্রাসের কারণে নির্বাচন বন্ধ থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নাশকতা বা সন্ত্রাসের কারণে নির্বাচন বন্ধ থাকবে না, সঠিক সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।সচিবালয়ে বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি একথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে দলটির নাশকতার কথা বলা হচ্ছে, এটা তাদের প্র্যাকটিস। নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই নির্বাচনকে প্রতিহত করার জন্য অগণতান্ত্রিক পন্থা বেছে নিয়েছে তারা।

post
সংবাদ

মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপীল চলছে,স্বতন্ত্র’দের ক্ষেত্রে ইসির শর্ত সাংবিধানিক সাংঘর্ষিক

বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া সারা দেশে প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধতা পেয়েছেন ১৯৮৫ জন প্রার্থী। আর অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৭৩১ জন প্রার্থীকে।  এক পার্সেন্ট ভোটারের সমর্থন আদায় সংক্রান্ত নিয়মের কারনে অধিকাংশের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে বলে অভিযোগ প্রার্থীদের। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে আপিল করতে আসা অবৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।প্রার্থীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ সংবিধানে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের কথা বলা হলেও নির্বাচন কমিশন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনের স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দিতে বলেছে। এতে ভোটের আগেই ভোটারের সমর্থন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। যা বাংলাদেশ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য অনেকের।অনেক প্রার্থী বলছেন, এক শতাংশের বেশি ভোটারের সমর্থনের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হলেও তা জেলা নির্বাচন কমিশন পুলিশ ও প্রশাসন দিয়ে যাচাই-বাছাই করায় অনেকে ভয় পেয়েছেন। স্বাক্ষর করা অনেকে কর্মজীবী হওয়ায় যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে তাদের পায়নি জেলা নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা।এবিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, যারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন তাদের করা আপীলগুলো যাচাই বাছাই শেষে পুরোকমিশন বসে সিদ্ধান্ত নিবে। যা আগামী ১০ ডিসেম্বর চুড়ান্ত করা হবে। এদিকে,স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী এ রিট দায়ের করেন। যাতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।আগামীকাল বুধবার ৬ ডিসেম্বর  বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি উপস্থাপন করা হবে।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

অবকাঠামো উন্নয়ন,সড়ক যোগাযোগ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতে,পাল্টে গেছে পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা

চারপাশে বিস্তীর্ণ পাহাড়ের সারি আর তুলোর মতো মেঘ,এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে নৈসর্গিক সাজেক। এক দশক আগেও সেখানে যেতেন কিছু হাতেগোণা পর্যটক। পাহাড়,ঝর্ণা এবং রহস্যময় গুহাসহ, বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র বাড়িয়ে দিয়েছে ওই এলাকার আকর্ষণ। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাহাড়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন,সড়ক যোগাযোগ,বিদ্যুৎ,মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং নিরাপত্তার কারণে পর্যটনের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে। সাজেক শব্দটা মনে এলেই প্রকৃতিপ্রেমী মানুষজনের চোখের সামনে ভেসে ওঠে মেঘ ও পাহাড়ের মিতালীময় এক অপরূপ ছবি। প্রকৃতি এখানে ক্ষণে ক্ষণে তার রূপ বদলায়। চোখের পলকেই চারপাশে নিকষ কালো মেঘ জমে,হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয় কিংবা প্রচন্ড ঠান্ডা!  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাজানো গোছানো  মনমুগ্ধকর এই পর্যটন স্পট যেনো স্বপ্নিল রাজ্য। এখানে মেঘমালার মিতালী দেখতে, যে কোনো মৌসুম ছাড়াই হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন।  সাজেক ভ্যালী,আলুটিলা ও নীলগীরির মতো আরো পর্যটন স্পট বাড়ানো এবং ইকো ট্যুরিজমকে উৎসাহী করতে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে, নতুন নতুন উদ্যোগ। এমনটা জানালেন,খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহীদুজ্জামান। খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছে সমন্বিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাজেকের অবস্থান রাঙ্গামাটি জেলায় হলেও, খাগড়াছড়ি থেকে সেখানে যাতায়াত অনেক সুবিধাজনক।

post
বাংলাদেশ

৫০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল

১৯৭০ সালে নির্মিত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে, সেই ৫০ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে, বর্তমান চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। ২০০৩ সালে হাসপাতালটিকে ১শ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসা সেবায়,তা বাস্তবায়ন হয়নি এখনও। এদিকে,শীতজনিত কারনে হাসপাতালে প্রতিনিয়ত ভর্তি হচ্ছে,শিশু রোগী। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে জানা গেছে,চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গত এক সপ্তাহে শীতজনিত কারনে,নিউমোনিয়া, এ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে পাঁচশোর অধিক শিশুরোগী। এছাড়া,হাসপাতালে নারী পুরুষ ও অন্যান্য ওয়ার্ডে প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের সংখ্যাও বাড়ছে।অসহনীয় পর্যায়ে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে, গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। শীতের হিমেল হাওয়া ও ঠান্ডা উপেক্ষা করে, হাসপাতালের বারান্দায় থেকেও কেউ কেউ নিচ্ছেন,চিকিৎসা সেবা। শিশু ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫ শয্যার বিপরীতে চিকিৎসা নিচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ জন রোগী। অল্প সংখ্যক জনবল দিয়ে এসব রোগীদের চিকিৎসা সেবা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টায় বাচ্চাদের অধিক সতর্কাবস্থায় রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদ ডা. মাহমুদুর রহমান মিলনের। সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন তিনশ’র অধিক শিশুকে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে,চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন অভিভাবকরা। অতিরিক্ত রোগীর ভিড় ঠেলে  চিকিৎসা সেবা নিতে স্বজনদের পড়তে হয় চরম দুর্ভোগে। 

post
বিশেষ প্রতিবেদন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে তৈরী হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মনুমেন্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মুক্তিযোদ্ধা মনুমেন্ট ও বিশ্রামাগার পরিদর্শনে আগ্রহ বেড়েছে দর্শনার্থীদের। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক নির্মীত ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মনুমেন্ট ও বিশ্রামাগারটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের মুকুন্দপুরে নির্মিত হয়। এই প্রথম বিজয়নগরে মনুমেন্ট পরিদর্শনের পাশাপাশি, পরিবার নিয়ে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। এতে খুশি দর্শনার্থীরা। এছাড়াও মনুমেন্টের পাশে রয়েছে ২৫ বিজিবির ক্যাম্প।  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের মুকুন্দপুরে তৈরী করা হয়েছে,মুক্তিযোদ্ধা মনুমেন্ট। এর পাশেই রয়েছে দূর থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্রামাগ্রার। এখানে লিপিবদ্ধ রয়েছে,শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা। মনুমেন্টটি মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলার একটি কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে বলে জানান দর্শনার্থীরা।এদিকে,মুক্তিযোদ্ধা মনুমেন্ট ও বিশ্রামাগ্রারটি তৈরী করায়,সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধা মনুমেন্ট ও বিশ্রামাগারটি পরিদর্শন করে, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আগামী প্রজন্ম অনেক তথ্য জানতে পারবে বলে জানান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ। এটি উদ্বোধন করেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পাহাড় ঘেড়া পরিবেশে অবস্থিত মনুমেন্টটি মন কেড়েছে দর্শনার্থীদের।

post
বাংলাদেশ

সারাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন- জানালো ইসি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দল সারাদেশের নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে বলেও জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।রবিবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে, একথা জানান তিনি। এসময় আগামী ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসে রাজনৈতিক দলের জনসভা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি অতিরিক্ত সচিব বলেন, কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ করতে হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।

post
বাংলাদেশ

ভরাডুবির আশংকায় নির্বাচনে না এসে ভন্ডুলের পায়তারা করছে বিএনপি; অভিযোগ কাদেরের

বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নির্বাচন হবে অবাধ সুষ্ঠু ও অংশগ্রহন মূলক। আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ ছাড়া ভরা ডুবির আশংকা থেকেই বিএনপি নির্বাচন ভণ্ডুল করার পায়তারা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন,  আওয়ামী লীগ গনতন্ত্রে বিশ্বাস করে। তাই গণতান্ত্রিকভাবে কেউ প্রার্থী হলে তা ইতিবাচক।তিনি জানান, অপরাজনীতির জন্য অনেক আগে থেকেই জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন দলে পরিনত হয়েছে বিএনপি। তাই জনগণকে নিয়ে চিন্তা না করে, নির্বাচন প্রতিহত করার পায়তারা করছে তারা।  

post
সংবাদ

মাঠের তথ্য বুঝেই প্রশাসনে বদলি- জানালো নির্বাচন কমিশন

জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়ন দাখিলকারী দলের সংখ্যা ২৯ এবং প্রার্থী ১৯৬৫; এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ৭৪৭ জন। শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ এই সংশোধিত তথ্য জানান।মনোনয়নপত্র জমার শেষের পর, বৃহষ্পতিবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৩০টি দলের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তথ্য জানানো হয়। পরদিন শুক্রবার জানানো হয় ৩২টি দল মনোনয়ন জমা দিয়েছে।এরপর, সবশেষ আজ দুপুরে ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯টি দলের প্রার্থী এবং সতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন দাখিলকারীর মোট সংখ্যা ২৭১৩। এসময় সারাদেশে ওসি-ইউএনওদের বদলী প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনার সম্প্রতি বিভিন্ন অঞ্চলে সফর করে মাঠ পর্যায়ের যে তথ্য পেয়েছেন তার ভিত্তিতেই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

স্বাধীনতার ৫২বছর পরেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় ঠাঁই হয়নি যশোরের মুজিব বাহিনীর সদস্য গেরিলাযোদ্ধা আবুল কাশেমের !

স্বাধীনতার ৫২বছর পরও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় ঠাঁই হয়নি যশোরের মুজিব বাহিনীর সদস্য গেরিলাযোদ্ধা আবুল কাশেমের।মুক্তিযোদ্ধা যাছাই পুণঃ যাছাইয়ের পর যোগ্য হয়েও অদৃশ্য কারনে গেজেটভুক্ত হয়নি তার নামটি।সবশেষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে কয়েক দফা ধন্না দিয়েও,কোন সারাহা মেলেনী।বর্তমানে নানা রোগে শোকে মানবেতর জীবন কাটছে রণাঙ্গনের এই গেরিলা যোদ্ধার।যশোর সদরের ভেকুটিয়া গ্রামেরআবুলকাশেম।ছিলেন ১৯৭১ সালের তৎকালীন ছাত্রলীগের সদস্য । দেশ মাত্রিকারটানে, মাত্র ১৬ বছরবয়সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহŸানে সাড়া দিয়ে ৮ই মার্চ নামেন অবরোধ যুদ্ধে,বন্ধকরে দেন ক্যান্টন মেন্টের সকল খাবার সরবরাহ,বাঙ্গালি চাকুরিজীবীদের প্রবেশওবন্ধকরে দেন সেদিনের অবরোধ যুদ্ধে। এতে ক্ষিপ্ত হয়েকাশেমেরবাড়িপুড়িয়ে দেয়া হয় এবং কাশেমেরচাচামুনসুরআলী কে গুলি করেহত্যাকরেপাক সেনারা।মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালেচড়ামূল্য দিয়েযুদ্ধের সূচনাহয়কাশেমের । পরবর্তীতে তৎকালীন বৃহত্তর যশোর জেলার মুজিব বাহিনীর প্রধানআলী হোসেনমনির নেতৃত্বে, ২৮ দিনের গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ নয়মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরও, স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ পাননি এই যোদ্ধা। এখন তাকে তাচ্ছিল্লের চোখে দেখছেন খোদ মুজিব বাহিনীর প্রধানমনি। এ নিয়ে কয়েক দফা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে দেখাকরেও কোনফলপাননিহতভাগ্য কাশেম এখন এক বুক অভিমানে মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্তির আশা ছেড়ে দিয়ে,দুঃখ কষ্টকে সাথে নিয়েই কাটছে আবুল কাশেমের প্রতিটিদিন।মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখ যোদ্ধা আবুল কাশেমদের যথাযথ মূল্যয়নই হোক স্বাধীন বাংলার মূল সৌন্দর্য!

post
বিশেষ প্রতিবেদন

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে দিনাজপুর জেলার চিত্র; যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন

সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে দিনাজপুর জেলার চিত্র। সড়ক প্রশস্তকরণের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোসহ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ‍প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে। যার সুফল পাচ্ছেন জেলাবাসী।ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণের পর এখন চলছে স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণের আয়োজন। সারাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার সড়ক মহাসড়ক প্রশস্তকরণ, ছোটবড় ব্রীজ, সরকারি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ,স্কুল কলেজ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভবন উন্নয়নে এসেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। বিশেষ করে দিনাজপুর হাজি মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আধুনিক ভবন প্রতিষ্ঠানগুলোতে যোগ হয়েছে নুতন মাত্রা। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হুইপ ও সংসদ সদস্য দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম।তিনি জানান,দিনাজপুরে, বৃহত্তম ইদগাহ মাঠে একসাথে কয়েক লক্ষ মানুষ ঈদের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.