post
খেলা

৬-০ গোলে তুর্কমেনিস্তানকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

সিঙ্গাপুরে শুরু হওয়া এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার স্থানীয় জালান বিসার স্টেডিয়ামে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে বাংলাদেশ ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে তুর্কমেনিস্তানকে। বাংলাদেশ প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল।ফেবারিট হিসেবেই এই ম্যাচ শুরু করেছিল প্রথম বিদেশের মাটিতে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী দল। টুর্নামেন্টের শুরুটাও করেছে ফেবারিটের মতোই। প্রাধান্য নিয়ে খেলে প্রথমার্ধেই তিন গোল আদায় করে নেয় গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করে আরও ৩ গোল।তৃতীয় মিনিটে পূজা দাসের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন থুইনু মারমা। ৩৯ মিনিটে অধিনায়ক রুমা আক্তার গোল করলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা।বিরতির পর ব্যবধান বাড়াতে বেশি সময় নেয়নি বাংলাদেশ। ৫৩ মিনিটে থুইনু মারবা নিজের দ্বিতীয় গোল করলে দল এগিয়ে যায় ৪-০ ব্যবধানে। ৬০ মিনিটে সুরভী আকন্দ প্রীতির পেনাল্টি থেকে করেন ৫-০।৮২ মিনিটে আবার পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ। কোনো ভুল করেননি তৃষ্ণা। তার গোলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৬-০ ব্যবধানে। শেষ পর্যন্ত ওই ব্যবধানে জিতেই মাঠ ছাড়ে মেয়েরা।উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি জাতীয় পতাকা নিয়ে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে রুমা-জয়নবদের উৎসাহ দিয়েছেন।আগামী ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলবে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে।বাংলাদেশ একাদশসঙ্গীতা রানী দাস, জয়নব রিতা, অর্পিতা বিশ্বাস, রুমা আক্তার, নুসরাত জাহান মিতু, থুইনু মারমা, পুজা দাস, কানন রানী বাহাদুর, নাদিয়া আক্তার, সুলতানা আক্তার ও সুরভী আকন্দ প্রীতি।

post
বাংলাদেশ

পরিবার নিয়ে পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলেন মো. সাহাবুদ্দিন। বুধবার সকাল সোয়া দশটায় বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে পৌঁছে। পদ্মা সেতু হয়ে সড়কপথে টুঙ্গিপাড়ায় যান রাষ্ট্রপ্রধান।টুঙ্গীপাড়া যাওয়ার পথে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পদ্মা সেতুতে নামেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় পদ্মা সেতুর মাঝখানে কয়েক মিনিট যাত্রাবিরতি করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছবি তোলেন।রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে মোহাম্মদ আরশাদ আদনান রনিসহ পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয়, রাষ্ট্রপতির সচিবরা এবং বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

বিয়ের আসরে বর কনের অভিনব প্রতিবাদ

ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোড়া কিংবা হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে যাওয়ার দৃশ্য নতুন নয়। অনেকে আবার হেলিকপ্টারে করেও বিয়ে করতে যান। তবে ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত একটি বিয়েতে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। সেখানে নতুন জীবন শুরুর অনুষ্ঠানে নবদম্পতিকে দেখা যায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরার মুক্তির দাবি জানাতে।এই নবদম্পতি হলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেত্রী সুমাইয়া আফরিন।পারিবারিকভাবে গতকাল মঙ্গলবার পূর্বপরিচিত মাহমুদুল ও সুমাইয়ার বিয়ে হয়। নবদম্পতির হাতে ‘অ্যাবলিস ডিএসএ’ (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করো) ও ‘ফ্রি খাদিজা’ (খাদিজাকে মুক্তি দাও) লেখা দুটি প্ল্যাকার্ড ছিল। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে কয়েকজন ‘ডিএসএর বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘খাদিজার মুক্তি চাই’, ‘ডিএসএ বাতিল করো’ স্লোগান দিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজার মুক্তির দাবি জানান।বর মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমাদের নতুন জীবনের শুরুটা আমরা করতে চেয়েছি এই নিবর্তনমূলক আইনের বাতিল ও খাদিজার দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়ে। সব ধরনের জুলুমের অবসানের মাধ্যমে গণমানুষের মুক্তির দাবিতে আমাদের বিয়েতে এমন প্রতিবাদের আয়োজন ছিল।’ তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় খাদিজাতুল কুবরা দীর্ঘ ৮ মাসের বেশি সময় কারাগারে। তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। অসংখ্যবার চেষ্টা করেও তাঁকে জামিনে মুক্ত করা যায়নি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি রাজনৈতিক কারণে ও ভিন্ন মত দমনে ক্ষমতাসীনেরা ব্যবহার করছেন।বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি ইমতিয়াজ অর্ণব বলেন, ‘বিয়ের আসরে নবদম্পতির অভিনব প্রতিবাদ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কোনো কিছুই রাজনীতির বাইরে নয়। দিনমজুরের আহাজারি থেকে শুরু করে বিয়ের আসর, প্রতিবাদের ভাষা চিরকালই বৈচিত্র্যময়। মানুষের মতপ্রকাশের মৌলিক অধিকার যে দমিয়ে দেওয়া যায় না, মাহমুদ-সুমাইয়ার এই অভিনব প্রতিবাদ তার প্রমাণ।’

post
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে জাইকা প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট আকিহিকো তানাকা। বুধবার (২৬ এপ্রিল) সকালে টোকিও আকাসাকা প্যালেস স্টেট গেস্ট হাউসে গিয়ে তিনি এই সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গুলশাহানা ঊর্মি বিষয়টি জানিয়েছেন।  এদিকে একই গেস্ট হাউজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশ-জাপান কমিটি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের চেয়ারম্যান ফুমিয়া কোকুবু ও জেট্রোর চেয়ারম্যান এবং সিইও ইশিগুরু নোরিহিকো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) চার দিনের সরকারি সফরে জাপান পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি চাটার্ড ফ্লাইট জাপানের স্থানীয় সময় টোকিও’র হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

post
এনআরবি বিশ্ব

সুদানে বাংলাদেশ দূতের বাসায় সন্ত্রাসীদের গুলি

সুদানে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে দুই বাহিনীর লড়াইয়ের মধ্যে বাংলাদেশের হাজার দেড়েক নাগরিক আটকা পড়েছেন। সুদানের সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) লড়াইয়ের শুরুতেই ১৫ এপ্রিল রাজধানী খার্তুমে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তারেক আহমেদের বাসায় আঘাত হানে মেশিনগানের গুলি। এক সপ্তাহ পর, ২২ এপ্রিল বিবদমান দুই পক্ষের লড়াইয়ের সময় বাংলাদেশ দূতাবাসের জানালা ও দেয়াল ভেদ করে মেশিনগানের গুলি ঢুকে পড়ে। তবে গোলাগুলির এই দুই ঘটনায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কেউ হতাহত হননি।সুদানের বাংলাদেশ দূতাবাস ও ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সুদানের রাজধানী খার্তুমের বাইরে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুদানে সংঘাত শুরুর পর থেকে ঢাকার সঙ্গে খার্তুমে বাংলাদেশ দূতাবাসের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের কূটনীতিকদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত খার্তুমে অবস্থান করে কাজ চালিয়ে গেছেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি গত রোববার খার্তুম থেকে প্রায় আড়াই শ মাইল দূরের জাজিরা প্রদেশের মাদানি শহরে অবস্থান করছেন। সেখানে অবস্থান করেই বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন।ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ গত সোমবার সবশেষ বার্তায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনটি বিকল্পের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি সুদানে অবস্থান করেই বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টিতে জোর দিয়েছেন।  নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আপাতত খার্তুম থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসতে আগ্রহী লোকজনকে বাসে করে পোর্ট অব সুদানে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরপর জাহাজ বা ফেরিতে করে তাঁদের সৌদি আরবে সরিয়ে নেওয়া হবে। সেখান থেকে তাঁদের দেশে ফেরত আনা হবে।সূত্রটি জানায়, এখন পর্যন্ত চার শতাধিক বাংলাদেশি সুদান থেকে দেশে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গত দুই দিনে সেখানে গোলাগুলি অনেকটা কমেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রথম দফায় পাঁচ শ বাংলাদেশিকে ফেরানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

সুদানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সুদানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা হবে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম তাঁর ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এই তথ্য জানান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পোস্টে বলেন, সুদানে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে অন্য দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। খার্তুমে বাংলাদেশ দূতাবাস ইতিমধ্যে এই বার্তা সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রচার শুরু করেছে।ফেসবুক পোস্টে শাহরিয়ার আলম আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরে নির্ভর করবে, কীভাবে কোন পদ্ধতিতে তাঁরা যাত্রা করবেন। সবাইকে দূতাবাসের নির্দেশনা মেনে নিবন্ধন এবং প্রয়োজনীয় কাজ করার অনুরোধ করছি। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অনুরোধ করছি দূতাবাসে যোগাযোগ না করার জন্য। কারণ, সকলেই ব্যস্ত এবং রুটগুলো নিরাপত্তার খাতিরে না জানানোই ভালো। আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’গত শনিবার সুদানের চলমান পরিস্থিতির কারণে দেশটি সফর থেকে বিরত থাকার জন্য বাংলাদেশিদের পরামর্শ দিয়ে সতর্কতা জারি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সুদানের সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে লড়াই শুরু হওয়ার পর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে এখন পর্যন্ত চার শতাধিক লোক প্রাণ হারিয়েছেন।গতকাল সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছিলেন, সুদানে ক্ষমতার লড়াইয়ে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হলেও দেশটিতে বাংলাদেশি মিশন চালু রাখা হবে। সেখানে প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশির অবস্থানের কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সুদানে চলমান সংঘর্ষের মধ্যে গত শনিবার মিসর, পাকিস্তান ও কানাডার দেড় শতাধিক নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়। সমুদ্রপথে সৌদি আরবের জেদ্দা বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নিয়ে গেছে। কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার পর খার্তুমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

ঈদে প্রবাসী আয় এসেছে ১২৭ কোটি ডলার

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বৈধ পথে প্রবাসী আয় এসেছে ১২৭ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। এপ্রিলের প্রথম ২১ দিনে এই অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এপ্রিলের প্রথম তিন সপ্তাহে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০৫ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় এসেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংক ৩ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো ৪২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এনেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে বৈধ পথে ২০১ কোটি ৭৭ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা আগের মাস ফেব্রুয়ারির চেয়ে ৪৫ কোটি ৭২ লাখ ডলার বেশি। ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৫৬ কোটি ১২ লাখ ডলার। সেটি আবার জানুয়ারি মাসের তুলনায় ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার বা প্রায় ২০ শতাংশ কম ছিল। জানুয়ারিতে প্রায় ১৯৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরপরও ব্যাংকের মাধ্যমে আশানুরূপ হারে তা বাড়ছে না। এক মাসে বাড়ছে তো আরেক মাসে কমছে। এ বছরে জানুয়ারিতে প্রবাসী আয়ে কিছুটা গতি এলেও ফেব্রুয়ারিতে কমে যায়। পরের মাসেই অর্থাৎ মার্চে আবার ভালো অবস্থা দেখা গেছে। চলতি এপ্রিলে এসেছে ১২৭ কোটি ডলার। ব্যাংকাররা মনে করেন, ঈদ শেষ হওয়ায় মাসের বাকি ৯ দিনে খুব বেশি প্রবাসী আয় আসার সম্ভাবনা কম। তবু এপ্রিলে কী পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে, তা জানতে আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

post
বাংলাদেশ

একদিনের হজ্জ নিবন্ধন চলবে আজ

হজযাত্রী ও এজেন্সিগুলোর অনুরোধে চলতি বছর হজে যেতে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) একদিনের জন্য হজের নিবন্ধন চলবে। এজন্য আজ হজযাত্রী নিবন্ধন সার্ভার খোলা থাকবে।আরও একদিনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সুযোগ দিয়ে এর আগে গত ২০ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি জারি করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আট দফা সময় বাড়ানোর পর সর্বশেষ গত ১১ এপ্রিল হজের নিবন্ধনের সময় শেষ হয়। কিন্তু কোটা পূরণে ৭ হাজার ৫০৩ জন হজযাত্রীর নিবন্ধন বাকি ছিল। যদিও এর একটা অংশ হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা কর্মচারীদের দিয়ে পূরণ হবে।হজের খরচ অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় এবার বারবার সময় বাড়িয়েও কোটা পূরণ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর গত ১৬ এপ্রিলের পত্র ও সম্মানিত হজযাত্রীদের বিশেষ অনুরোধে সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধন সার্ভার ২৫ এপ্রিল একদিনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।এতে আরও বলা হয়, নিবন্ধনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক উন্মুক্ত রয়েছে এবং উভয় ব্যবস্থাপনায় নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন করে হজে যাওয়ার সুযোগ আছে। কোটা পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিবন্ধন সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কোনোক্রমেই আর সময় বৃদ্ধি করা হবে না।মঙ্গলবার হজ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সব ব্যাংককে অফিস সময়ের পরেও প্রস্তুতকৃত ভাউচারের অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের শাখা খোলা রাখার জন্য অনুরোধও জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।চাঁদ দেখা সাপেক্ষে চলতি বছরের ২৭ জুন (৯ জিলহ্জ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সঙ্গে হজচুক্তি অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার জন ও অবশিষ্ট এক লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করার সুযোগ পাবেন।হজ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, মোট এক লাখ ১৯ হাজার ৬৯৫ জন হজযাত্রী নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারিভাবে ১০ হাজার ৩৫ জন এবং বেসরকারিভাবে এক লাখ ৯ হাজার ৬৬০ জন নিবন্ধিত হয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সফরে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্রিদেশীয় সফরে ঢাকা ছেড়েছেন। ১৫ দিনের সরকারি সফরে তিনি জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে যাবেন।আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এই তথ্য জানান। স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটায় ফ্লাইটটি জাপানের টোকিওতে পৌঁছাবে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ এপ্রিল জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। একই দিন তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।শেখ হাসিনার জাপান সফরকালে টোকিওর সঙ্গে আটটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করছে ঢাকা।২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টোকিওতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি ও জেট্রোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ বিজনেস সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। একই দিন তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চার জাপানি নাগরিককে ‘ফ্রেন্ড অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ তুলে দেবেন। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও কমিউনিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।টোকিও সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া তিনি জাইকা, জেইটিআরও, জেইইআইসি, জেবিপিএফএল, জেবিসিসিইসির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকসহ আরও কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দেবেন।

post
বাংলাদেশ

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা ফিরছে কর্মজীবী মানুষেরা

ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন আজ (সোমবার)। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষেরা।সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাসে ও নিজস্ব মোটরসাইকেলে ইট-পাথরের নগরীতে ফিরছেন সবাই। তবে রাজধানীতে ফিরে আসা যাত্রীর সংখ্যা খুবই কম।সরেজমিনে ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ফিরছেন কর্মজীবীরা। ভোগান্তি ছাড়াই ফিরতে পেরে খুশি তারা। সড়ক-মহাসড়কে যানজট না থাকলেও বাড়তে শুরু করেছে গাড়ির চাপ।পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আজ ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন। অনেকেই বর্ধিত ছুটি উদযাপন করছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে। যে কারণে রাজধানীতে ফিরে আসা যাত্রীর সংখ্যা অনেক কম। রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ও বাস স্টপেজগুলোতে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস থেকে নামছেন যাত্রীরা। ব্যাগ নামিয়ে সিএনজি বা রিকশায় চড়ে কেউ ফিরছেন বাসায়, আবার কেউ কর্মস্থলে।বাস স্টপেজে যে কথা হয় রাজবাড়ীর পাংশা থেকে ফিরে আসা মোস্তফার সঙ্গে। সরকারি একটি ব্যাংকের এই কর্মকর্তা বলেন, ঈদে বাড়ি তো যেতেই হয়। ঈদে বাড়িতে পরিবার ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিজনদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত ছুটি শেষ। তাই ভোগান্তি বিবেচনায় স্ত্রী-সন্তানদের রেখেই আগেভাগে কর্মস্থলে যোগ দিতে ফিরতে হলো। কুষ্টিয়া থেকে শ্যামলী পরিবহনে গাবতলীতে আসা যাত্রী আল-আমিন বলেন, এবারের ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। যানজট এড়াতে ঈদের চারদিন আগে বাড়িতে গিয়েছিলাম। বাবা-মা, স্বজন ও প্রিয়জনদের ছেড়ে আসতে খারাপই লাগছিল। কিন্তু কর্মস্থলে তো ফিরতেই হবে।পঞ্চগড় থেকে হানিফ পরিবহনে চড়ে ঢাকায় ফেরা যাত্রী মুক্তারুল ইসলাম বলেন, স্বস্তিতে ফিরেছি এতেই ভালো লাগছে। সড়কে চাপ নেই।হানিফ পরিবহনের গাবতলী কাউন্টার ম্যানেজার মোশারফ হোসেন বলেন, অনেকের ছুটি এখনো শেষ হয়নি। অনেকেই ঈদের পর তিন থেকে চারদিনের ছুটি নিয়েছেন। সঙ্গত কারণেই শুক্রবার বিকেল থেকে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরা যাত্রীর চাপ বাড়বে।গাবতলী রজব আলী মার্কেটের আলহামরা কাউন্টারে কথা হয় ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, যারা ঈদের আগে বা সরকার নির্ধারিত ছুটি উদযাপন করতে ঢাকা ছেড়েছিলেন, তারা এখন ফিরছেন। এখনো বাসে ট্রিপ আসছে না। দু’দিন পর রাজধানীতে ফেরা যাত্রীর চাপ বাড়বে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.