নতুন বছরে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। পুরোনো বৃত্তিগুলো যেমন চালু হচ্ছে, তেমনি নতুন অনেক বৃত্তির জন্যও আবেদনের আহ্বান করা হয়েছে। যাঁরা বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে চান, তাঁদের জন্য করণীয় কী?
বিদেশে বৃত্তি নিয়ে লেখাপড়ার স্বপ্ন দেখেন প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থী। তবে এ প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ। ফলে তাড়াহুড়ায় সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা সীমিত। এর জন্যে যেমন পড়াশোনার প্রস্তুতির প্রয়োজন, অন্যদিকে প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।
প্রতিযোগিতামূলক বৃত্তিগুলোর জন্য দরকার হয় ৭ থেকে ৭ দশমিক ৫ আইইএলটিএস স্কোর। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বৃত্তিগুলোতে ৬ দশমিক ৫ স্কোরও গ্রহণ করা হচ্ছে। তাই ইংরেজি দক্ষতার প্রতি নজর দেয়া জরুরী।
তবে যাঁরা ব্যবসায় শিক্ষা নিয়ে পড়বেন, তাঁদের জন্য জিম্যাট গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রকৌশল এবং বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়তে চাইলে দরকার হবে জিআরই স্কোর।
এদিকে, বৃত্তির ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুণাবলি,স্বেচ্ছাসেবক বা গবেষক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয়া হয়। তাই এসব অর্জনের দিকে মনোযোগ দিতে হবে আগে থেকেই।
বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সনদ তুলতে গেলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়তে হয়। তাই শেষ মুহুর্তের জন্যে না রেখে শিক্ষা সনদ ও পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রস্তুত রাখতে হবে। দেশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভেদে আবেদন প্রক্রিয়া ভিন্ন হয়। অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এসব বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও ই-মেইল করে তথ্য জানতে পারেন।
বৃত্তির সর্বশেষ ধাপে সাক্ষাতের মুখোমুখিও হতে হয় আবেদনকারীকে। অনলাইনে মৌখিক সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসও নিতে পারে সাক্ষাৎকার।
কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ব্লকড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যাংকে রাখতে হয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নেয়া ভালো।
চিভনিং বৃত্তিসহ প্রতিযোগিতামূলক স্কলারশিপগুলোর ক্ষেত্রে আবেদনের শেষ সময়ে সার্ভার জটিলতায় অনেকেই আবেদন বঞ্চিত হন। তাই কিছুটা সময় হাতে নিয়ে এ আবেদন করতে হবে।
