post
টেক মেন্টর

ফেসবুক আইডি হ্যাক ঠেকাতে যা করবেন

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এখন আতঙ্কে রূপ নিয়েছে। জনপ্রিয় ব্যাক্তিদের পাশাপাশি অতিসাধারণ মানুষও হচ্ছেন হ্যাংকিংয়ের শিকার। আর এতে আর্থিক প্রতারণাসগ ঘটছে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মতো ঘটনাও। তবে কিছু নিয়ম মেনে পুনরুদ্ধার করতে পারবেন হ্যাক হওয়া আইডিটি। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক খুবই জনপ্রিয়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই মাধ্যমটিতে রীতিমত ব্যবহারকারীরা আসক্ত হয়ে পড়ছে। এ কারণে প্রতারণার ফাঁদ হিসেবে এখন প্রতারক চক্রের লক্ষ্য ফেসবুক। প্রতারকরা বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে থাকেন ফেসবুকে।এর মধ্যে একটি হচ্ছে- ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নিয়ে তা ফেরত দেয়ার কথা বলে টাকা দাবি করা। কখনো আবার ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আপত্তিজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত বা অপরাধমূলক কিছু পোস্ট করে। যে কারণে বিপদ ও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।এমন ঘটনার মুখোমুখি প্রায়ই হচ্ছেন মানুষ। থানায় জমা পড়ছে শত শত অভিযোগ । কিন্তু কোনোভাবেই হ্যাকারদের লাগাম টানা যাচ্ছে না। তবে কিছু পদ্ধতি মেনে চললে সুরক্ষিত রাখেতে পারবেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার আইডিটি-অনেক সময় মেসেঞ্জারে অনেক প্রমোশনাল নিউজ বা আকর্ষণীয় নিউজের লিঙ্ক আসে। ক্লিক করলে প্রায় ফেসবুকের মতো দেখতে একটি ইন্টারফেস আসে, কিন্তু আপনাকে আবারও লগইন করতে বলা হয়। আপনি কিছু না ভেবেই ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে দিলে হ্যাক হতে পারে আপনার ফেসবুক। কারণ ফেসবুক মনে করে যে ওয়েবসাইটে আপনি আপনার আইডি পাসওয়ার্ড দিলেন, সেটি আসলে ফেসবুক নয়। যখনই ব্রাউজারের মাধ্যমে ফেসবুকে লগ ইন করবেন, খুব ভালোভাবে ইউআরএল (ওয়েব অ্যাড্রেস) দেখে নিতে হবে। দেখতে হবে ওয়েবসাইটের ঠিকানা https://www.facebook.com দিয়ে শুরু হয়েছে কিনা। 'facebook' বানান খুব ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক সময় হ্যাকাররা 'facebok', 'ffacebook' বা 'facbook' ইত্যাদি বিভ্রান্তিকর ইউআরএল ব্যবহার করতে পারে। এসব বিভ্রান্তি এড়াতে ব্রাউজারের এড্রেস বারে নিজেই facebook.com লিখে সার্চ দিন।থার্ড পার্টি অ্যাপে লগইন করবেন না। কোনো কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের কাছে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস আছে, তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই সেই অ্যাপ বা ওয়েবসাইট মুছে দিয়ে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।সাধারণত কেউ যখন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড জানতে পারে, সেটা যেকোনোভাবেই হোক, তখনই অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা ঘটে। ফেসবুক এক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ মানুষ তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ্যাপে লগ ইন করে। কেউ যদি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, তাহলে বিভিন্ন দিক থেকে আপনি ক্ষতির শিকার হতে পারেন।সিকিউরিটি সেটিংস অপশনে যান। কোন কোন ডিভাইস ও স্থান থেকে আপনি লগ ইন করেছেন, তার একটি তালিকা দেখা যাবে এখানে। তালিকা থেকে কোনোটি যদি আপনার অপরিচিত বা সন্দেহজনক মনে হয়, তাহলে এখান থেকেই লগ আউট করে দিতে পারবেন। কোন কোন অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটে আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে লগ ইন করেছেন, তা এই লিংকে ক্লিক করে দেখুন। কোনোটিকে যদি অপরিচিত বা সন্দেহজনক মনে হয়, তাহলে 'রিমুভ' বাটনে ক্লিক করে সেটিকে মুছে দিন। ফেসবুকের জেনারেল সেটিংস থেকে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত আপনার ইমেইল ঠিকানাটি যাচাই করুন। যদি আপনার ছাড়া অন্য কারও ইমেইল দেওয়া থাকে, তাহলে সেটি মুছে দিন। এবার আবারও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের সময় Log out of other devices নামে একটি অপশন আসবে। এখান থেকে সন্দেহজনক লগ ইনগুলোকে লগ আউট করে দিন। জটিল পাসওয়ার্ড (বড় হাতের অক্ষর, বিশেষ চিহ্ন, নম্বর) ব্যবহার করুন। অন্য কোনো অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করেছেন, এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। পাসওয়ার্ড মনে রাখতে সমস্যা হলে ভালো কোনো পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।হ্যাকিং থেকে বাঁচতে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন পদ্ধতি চালু করুন। এর ফলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জানলেও আপনার ফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয়া ছাড়া অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। ফেসবুকের সিকিউরিটি চেকআপ থেকেও অ্যাকাউন্টের অপ্রয়োজনীয় ও সন্দেহজনক উপাদান চিহ্নিত করতে পারবেন।সবশেষে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত যে ইমেইল অ্যাকাউন্ট, তারও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন। প্রতি ১-৩ মাস পর পর এই ইমেইল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। তবে ফেসবুক হ্যাক হলেও আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে তা ফিরে পেতে পারেন। এর কিছু উপায় রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হ্যাক হওয়া আইডিটি-বিভিন্ন কৌশলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলে হ্যাকাররা। ফলে ব্যবহারকারীরা চাইলেই নিজেদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারে না। এমনকি নতুন করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যায় না। ফলে অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে প্রথমেই পাসওয়ার্ড রিসেট করতে হবে। এ জন্য ফেসবুক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Forgotten password?’ অপশনে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় দেওয়া মুঠোফোন নম্বর বা ই–মেইল ঠিকানা লিখতে হবে। এবার ‘Reset Your Password’ অপশনে ক্লিক করলেই পাসওয়ার্ড রিসেট হবে। ফলে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে আবার ফেসবুকে প্রবেশ করা যাবে।ফেসবুক আইডি হ্যাক করে হ্যাকাররা যদি অ্যাকাউন্ট খোলার সময় দেওয়া মুঠোফোন নম্বর এবং ই–মেইল ঠিকানা পরিবর্তন করে ফেলে, তবে চাইলেও পাসওয়ার্ড রিসেট করে ফেসবুকে প্রবেশ করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই আইডি হ্যাক হওয়ার বিষয়ে ফেসবুকের কাছে অভিযোগ করতে হবে। এ জন্য www.facebook.com/hacked ঠিকানায় প্রবেশ করে my account is compromised অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর অ্যাকাউন্টটিতে থাকা মুঠোফোন নম্বর, ই–মেইল বা ব্যবহারকারীর নাম লিখে সতর্কতার সঙ্গে অ্যাকাউন্টটি শনাক্ত করতে হবে। এবার ‘security check’ অপশনে ক্যাপচা (বিশেষ কোড) লিখলেই অ্যাকাউন্টটির পুরোনো পাসওয়ার্ডসহ নিরাপত্তাবিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন জানতে চাইবে ফেসবুক। প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিয়ে সাবমিট অপশনে ক্লিক করলেই ফেসবুকের কাছে অভিযোগ জমা হবে। অভিযোগ পাওয়ার পর অ্যাকাউন্টটির মালিকানা যাচাইয়ের জন্য ফেসবুক সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় নিয়ে থাকে। আপনার দেয়া সব তথ্য ঠিক থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অ্যাকাউন্টটি ফিরিয়ে দেবে ফেসবুক।অনেক সময় হ্যাকাররা ফেসবুক আইডি হ্যাক করে বন্ধু তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের অশ্লীল মন্তব্য, ছবি বা ভিডিও পাঠিয়ে থাকে। কেউ আবার বিপদে পড়ার কথা বলে অর্থও চায়। শুধু তা–ই নয়, সমাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন পোস্টও দিয়ে থাকে। আর তাই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেই ফোনকল বা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে ফেসবুকে থাকা বন্ধুদের বিষয়টি জানাতে হবে। ফেসবুক হ্যাকের মাধ্যমে হয়রানি কিংবা বিড়ম্বনার শিকার হলে কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ থানা পুলিশকে অবহিত করুন এবং জিডি অথবা মামলা করুন। পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করুন। 

post
টেক মেন্টর

ইউটিউবে যেভাবে ভিডিওর ভিউ বাড়াবেন

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য অনেকেই ইউটিউব অ্যাকাউন্ট খোলেন। ভিডিও তৈরি করে নিজের সেই অ্যাকাউন্টে আপলোড করলেও অধিকাংশ সময় দেখা যায় ভিডিওতে ভিউ খুব বেশি একটা হয় না। মানসম্মত কনটেন্ট না হওয়া, সঠিক নিয়ম না মানার কারণে ভিডিওর ভিউ সংখ্যা খুব কম হয়ে থাকে। তাই আজকের প্রতিবেদনে ইউটিউবে ভিডিওর ভিউ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু কৌশল এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিন।ভিডিওর মান বৃদ্ধি করুন : ইউটিউবে ভিউ বাড়ানোর জন্য আপনাকে উচ্চ মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে। যেন দর্শকরা অধিক সময় আপনার ভিডিওগুলো দেখতে উৎসাহিত হন।এজন্য ভালো ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং প্রসেসিং উপকরণের জন্য নিয়ে চিন্তা করতে হবে।ইনফরমেটিভ এবং বিনোদনমূলক ভিডিও তৈরি করুন : আপনার ভিডিওগুলো ইনফরমেটিভ এবং বিনোদন ভিত্তিক হতে হবে। যেন ভিডিওটি দর্শকদের জন্য দ্রুত এবং বিনোদনমূলক হয়।বিশেষ টপিক নির্বাচন করুন : আপনি যে সম্প্রদায়ের আছেন, সেই সম্প্রদায়ের জন্য ভিডিও তৈরি করুন এবং আপনার নিজের প্রতিষ্ঠান তৈরি করুন।ট্রেন্ডিং টপিক নির্বাচন করুন : ইউটিউবে ট্রেন্ডিং টপিকের ভিডিও তৈরি করা যেতে পারে। তাহলে আপনার ভিডিওগুলো একটি বিশেষ দর্শক মহলে প্রচুর ভিউ পাবে।আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরি করুন : আপনি আপনার ভিডিওগুলোর প্রমোট করার জন্য সামাজিকমাধ্যমে একটিভ থাকার পাশাপাশি আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরি করতে পারেন। এতে আপনার দর্শকদের সঙ্গে কমেন্ট এবং প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাক্ট বৃদ্ধি পাবে।ভিডিও প্রকাশ সময় নির্বাচন করুন : আপনি সবচেয়ে জনপ্রিয় সময় বা পিক আওয়ারে আপনার ভিডিও আপলোড করুন। একটি পুল তৈরি করুন : ভিডিওর শুরুতে দর্শকদের উৎসাহিত করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি কুইজ/পুল তৈরি করতে পারেন। যার মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেলে এনগেজ বৃদ্ধি পাবে।কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন : আপনার ভিডিওর টাইটেল ও ডেসক্রিপশনে সঠিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। কারণ সঠিক কীওয়ার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সার্চ ইঞ্জিনে লিখে ভাল ফলাফল পেতে পারেন। কারণ, কীওয়ার্ড লিখেই বেশির ভাগ লোক ইউটিউবে নিজের পছন্দের ভিডিওর খোঁজ করেন।

post
টেক মেন্টর

এআই ৪০ শতাংশ চাকরিকে প্রভাবিত করবে : আইএমএফ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রায় ৪০ শতাংশ চাকরিকে প্রভাবিত করবে।আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, ‘বেশির ভাগ পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্ভবত সামগ্রিক বৈষম্যকে আরও খারাপ করবে।’ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা আরও বলেন, নীতিনির্ধারকদের ‘উদ্বেগজনক প্রবণতা’ মোকাবিলা করা উচিৎ, যাতে এই প্রযুক্তি ‘সামাজিক অস্থিরতাকে’ আরও বাড়িয়ে তুলতে না পারে।ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এআইয়ের বিস্তার বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিটির সুবিধা ও ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।আইএমএফ বলেছে, এআই সম্ভবত চাকরির বাজারের বড় অংশকে প্রভাবিত করবে। এর ছোঁয়া ভবিষ্যতের অর্থনীতির ৬০ শতাংশে লাগতে পারে। এই পরিস্থিতিতে অর্ধেক ক্ষেত্রে এআইয়ের সমন্বিত প্রয়োগে উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে তুলবে, এমনটা প্রত্যাশা করতে পারেন কর্মীরা।অন্যদিকে, আগে মানুষের করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা থাকবে এআইয়ের। ফলস্বরূপ, কর্মীদের প্রয়োজনীয়তা কমবে এবং বেতন কাঠামোতে প্রভাব পড়বে। ক্ষেত্রবিশেষে আগের চাকরি নিঃশেষও হতে পারে।নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে প্রযুক্তিটি চাকরির বাজারকে ২৬ শতাংশ প্রভাবিত করতে পারে বলেও ধারণা করছে আইএমএফ।জর্জিয়েভা বলেন, ‘এগুলোর অনেক দেশে এআইয়ের সুযোগসুবিধা কাজে লাগানোর জন্য যথেষ্ট অবকাঠামো ও দক্ষ জনবল নেই। এতে সময়ের আবর্তনে প্রযুক্তিটি বিশ্বে দেশগুলোর বৈষম্যমূলক অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে।’সামগ্রিক বিবেচনায় এআই গ্রহণ ও প্রয়োগের পর উচ্চ আয়ের ও কমবয়সী কর্মীরা অন্যান্যদের সঙ্গে মজুরিতে অসামঞ্জস্য অবস্থার বৃদ্ধি দেখতে পারে। এই অবস্থায় আইএমএফ মনে করছে, নিম্ন আয়ের ও বয়স্ক কর্মীরা পিছিয়ে পড়তে পারে।

post
টেক মেন্টর

হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ গোপন রাখার ৫ উপায়

হোয়াটসঅ্যাপে আপনি কার সঙ্গে কথা বলছেন, সেটা আপনি এবং যাকে পাঠাচ্ছেন তিনি ছাড়া আর কেউ জানবে না। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ নিজেও এই বার্তাগুলো বুঝতে পারবে না। কারণ গোপন সংকেতে এগুলো লুকিয়ে রাখা হয়। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ‘অ্যান্ড টু অ্যান্ড এনক্রিপশন’ সুবিধা দিয়ে থাকে।এর পরও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা বিভিন্নভাবে হ্যাকিংয়ের শিকার হতে পারেন। আপনি যদি সন্দেহ করেন, কেউ হোয়াটসঅ্যাপে আপনার ওপর নজর রাখছে এবং আপনি আরও নিরাপদ থাকতে চাচ্ছেন, তবে নিচের এই পাঁচটি সেটিংস চালু রাখুন।প্রথমে দেখতে হবে আপনি যার সঙ্গে কথা বলছেন তার চ্যাট বা বার্তাগুলো ‘এনক্রিপ্টেড’ আছে কিনা। এটি যাচাই করার জন্য, চ্যাট করার সময় থ্রি ডটস অপশনে ক্লিক করতে হবে। এর পর ‘ভিউ কনট্যাক্ট’থেকে ‘এনক্রিপশন’মেনুতে গিয়ে সবুজ রঙের তালা (লক) চিহ্ন দেখলে বুঝতে হবে চ্যাটটি নিরাপদ আছে।আপনি যদি চান কাউকে পাঠানো বার্তাগুলো আপনা আপনি হোয়াটসঅ্যাপ থেকে মুছে যাক, সেটিও করা যাবে। সে জন্য আবারও থ্রি ডটস অপশনে গিয়ে ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দিলেই, বার্তাগুলো নির্ধারিত সময়ের পর হোয়াটসঅ্যাপ থেকে মুছে যাবে।আপনি যদি আরও নিরাপদ হতে চান তবে হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলো যেখানে সংরক্ষিত (ব্যাকআপ) রাখা হয় সেখানেও ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’ চালু করতে পারবেন। ফলে গুগল ও অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠানও আপনার বার্তাগুলো দেখতে পাবে না। এটি চালু করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে চ্যাটস অপশনে যেতে হবে। এরপর চ্যাট ব্যাকআপ-এ গিয়ে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে চালু করা যাবে। তবে মনে রাখবেন, এই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে গুগল থেকে তথ্য ফিরে পাওয়ার আর কোনো উপায় নেই।চাইলে যার সঙ্গে কথা বলছেন তার চ্যাট লক করে রাখা যাবে। এর ফলে কেউ আপনার ফোন হাতে পেলেও আপনার পাঠানো বার্তাগুলো পড়তে পারবে না। এটি করার জন্য ভিউ কনট্যাক্ট-এ গিয়ে চ্যাট লক অপশন চালু করতে হবে। এর পর হোয়াটসঅ্যাপের পর্দায় (হোমস্ক্রিন) লকড চ্যাট নামের একটি মেন্যু চলে আসবে। চ্যাট করার জন্য প্রতিবারই সেখানে লক খুলে ঢুকতে হবে।আপনি যদি হোয়াটসঅ্যাপে অচেনা নম্বর থেকে কল আসা বন্ধ করতে চান, তবে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে প্রাইভেসি অপশনে যেতে হবে। সেখান থেকে সাইলেন্স আননোন কলার চালু করে দিলেই অপরিচিত নাম্বার থেকে আসা কল বন্ধ করে দেবে হোয়াটসঅ্যাপ।

post
বাংলাদেশ

৩ মার্চ শুরু হচ্ছে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’

এফ কমার্স বেইজড হোম বেকারদের অনলাইন কমিউনিটি ‘বিডি বেকার্স’ এর তত্ত্বাবধানে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।মহাখালীর এস কে এস টাওয়ার এর সেনা গৌরব হলে (লেভেল ৯) মার্চের ৩ ও ৪ তারিখ (শুক্র ও শনিবার) দুই দিনব্যাপী বেকিং এবং কেক ডেকোরেশন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।মেলায় ঘরে তৈরি হরেক রকমের কেক, ডেজার্ট ও অন্যান্য খাবার প্রদর্শন এবং বিক্রির ব্যবস্থা থাকছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা ঘরে বানানো বিভিন্ন ফ্লেভারের কেক, কুকিস, নানা রকমের মুজ, চকোলেট, ফ্রেঞ্চ স্পেশাল ডেজার্ট, হরেকরকম স্বাদের চিজকেক, নানা রকমের ব্রেড, বান, প্যাটিস থেকে শুরু করে নানা পদের দেশী বিদেশী খাবার নিয়ে আসবেন।এছাড়াও কাস্টোমাইজড কেক ডেকোরেশন শিখতে আগ্রহীদের জন্য থাকবে বেশ কয়েকটি ওয়ার্কশপ। মেলায় প্রবেশাধিকার সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও বেকিং ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ১ মার্চের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়া দেশের জনপ্রিয় কাস্টোমাইজড কেক প্রস্তুতকারকদের তৈরি ডিসপ্লে কেক নিয়ে একটি ছোট প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও থাকবে দর্শনার্থীদের জন্য।বেকিং এবং কেক সাজানোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও কাঁচামাল সরবরাহকারী বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের রকমারি পণ্যের পসরা নিয়ে থাকবে এই আয়োজনে। সেই সাথে এই বছর কফি পার্টনার হিসেবে থাকছে জনপ্রিয় কফি চেইন কফি ওয়ার্ল্ড এবং বেভারেজ পার্টনার হিসেবে সাথে থাকছে ট্রান্সকম বেভারেজ লিমিটেড।বেকিং মেলার এই উদ্যোগের আয়োজক হিসেবে রয়েছেন পুনিজ কিচেনের কর্ণধার উম্মে আকলিমা আলম (আনিকা) ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল (রুমি), মাদারস ড্রিম বেকারির কর্ণধার সুরাইয়া মান্নান, ডক্টরস বেক-এর কর্ণধার ড. শাহীন আখতার এবং বাংলা নীড এর কর্ণধার অপু সুলতান।আয়োজকদের সাথে মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আব্দুল খালেক এন্টারপ্রাইজ, প্রেস্তো বাংলাদেশ, বেইক এ কেক, দীনা’স, প্রথমা কিচেন, জাফরিন’স কিচেন, কেকস, কেকারস’ শপ, আফরিন’স কিচেন, শিম্মি’স রেসিপি, বেকারস’ ক্রাফট, বাইটস অফ ডিলাইট বাই মিথিলা, স্কুপ এন ইট, বেলারিয়া ফুডস, নিম্মি’স কেকারি বাইট, লিটল বেকার, পিয়ারী’স কিচেন, নই-নয় এবং শারমিন’স কুকশ্যাক।এছাড়া ভলান্টিয়ার পার্টনার হিসেবে থাকছেন কেক বেক এর তানজিয়া রশীদ ও এনামুল হক।

post
টেক মেন্টর

ফেসবুক ব্যবহারে এখন প্রতিমাসে লাগবে ১২৫০ টাকা

নতুন নিয়ম করতে যাচ্ছে ফেসবুক। এখন থেকে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি চালাতে হলে প্রতিমাসে পরিশোধ করতে হবে ১১ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ২৫০ টাকারও বেশি। খবর বিবিসির।তবে এ টাকা পরিশোধ করতে হবে ‘ব্লু টিক ভেরিফিকেশন’ সুবিধা নেওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে আইফোন ব্যবহারকারীদের বেলায় এ খরচ আরেকটু বেশি। তাদের পরিশোধ করতে হবে ১৪ দশমিক ৯৯ ডলার। এ সপ্তাহে প্রথম এটি চালু করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে।মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপের নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।এর আগে টুইটারের মালিক ইলন মাস্কও গত বছরের নভেম্বরে অর্থের বিনিময়ে ব্লু ব্যাজ পাওয়ার ব্যবস্থা চালু করেন।মেটার এই সাবস্ক্রিপশন সেবা এখনো পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। তবে যে কোন ব্যক্তি অর্থ দিয়ে ভেরিফিকেশন ব্যাজ পেতে পারেন।যাদের খ্যাতি বা পরিচিতি আছে তাদের প্রোফাইলে ব্যাজ বা ‘ব্লু টিক’ দেয়া হয় একাউন্টটি যে আসল তা বোঝানোর জন্য।মেটা তাদের ওয়েবসাইটে এক পোস্টে জানিয়েছে, যারা অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রাইবার হবেন, তাদের ব্লু ব্যাজ দেয়া হবে এবং সেই সঙ্গে তাদের পোস্ট অনেক বেশি মানুষ দেখতে পাবেন। কেউ যেন তাদের নামে ভুয়া একাউন্ট করতে না পারেন, সেই সুরক্ষা পাবেন এবং তারা অনেক সহজে গ্রাহক সেবা পাবেন।মেটা আরও জানিয়েছে, আগে থেকে যেসব ভেরিফায়েড একাউন্ট আছে, এই পরিবর্তনের কোন প্রভাব তাদের ওপর পড়বে না। তবে মেটা বলেছে, যারা অর্থের বিনিময়ে ভেরিফায়েড একাউন্ট করেছেন, ফলোয়ার কম হলেও তাদের পোস্ট অনেক বেশি দেখা যাবে।এজে/

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.