post
বাংলাদেশ

সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তা প্রমাণ করতে হবে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে নির্বাচন সুষ্ঠ হতে পারে সেটি এবার প্রমাণ করতে হবে। সেজন্য মাঠ পর্যায়ে সবাইকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রোববার সকাল সাড়ে দশটায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) ম্যাজিস্ট্রেটদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণায়লের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান। উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রজাতন্ত্রের মানেই হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকার পরিচালিত হবে। নির্বাচনে জিতে যারা সংসদে বসবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা তারাই সংবিধান গঠন করবেন। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন আমাদের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচন নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে যেমন বাগবিতণ্ডা হচ্ছে, সহিংসতাও হয়েছে। নির্বাচনে আরেকটি কারণে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। সেটি হলো- রাজনৈতিক দলগুলোর একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে। সাধারণত নির্বাচন খুব উৎসবমুখর হয়। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় নির্বাচনটা পরিচালনা করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এরপর সবসময়ই নির্বাচন উৎসবমুখর হয়েছে।

post
সংবাদ

শিক্ষিত জাতি ছাড়া দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হয় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়তে চাই। একমাত্র শিক্ষাই পারে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া দারিদ্র্যমুক্ত হয় না। এজন্য আমরা শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা বাজেটেও বেশি টাকা রাখি। সেটাকে বহুমুখী করার ব্যবস্থাটা করে দিচ্ছি।রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাঠ্যবই বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীন দেশ দেননি, স্বাধীন জাতি হিসেবে আমার উন্নত সমৃদ্ধ গড়তে পারি সেভাবে তিনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। খুব সময় কম পেয়েছিলেন। সেই অল্প সময়ের মধ্যে সংবিধান দিয়েছিলেন। সংবিধানের শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক করে দেন। আমাদের যতগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল সেগুলো তিনি জাতীয়করণ করে সব শিক্ষকদের সরকারি চাকরির মর্যাদা দেন। সংবিধানে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে দেন এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে যে টাকা পয়সার খরচ সেটাকে জাতির পিতা খরচ হিসেবে মনে করতেন না, মনে করতেন এটাও এক ধরনের বিনিয়োগ। তিনি বলেন, আমি আজকের ছেলে মেয়েদের বলবো লেখাপড়া শিখতে হবে, কারণ লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। লেখাপড়া ছাড়া জীবন ব্যর্থ হয়ে যায়। ধন সম্পদ অনেক কিছু থাকতে পারে কিন্তু শিক্ষা এমন একটা জিনিস যা কেউ নিতে পারবে না। আর বাংলাদেশে একটা স্বাধীন দেশ, আমরা এই দেশটাকে আরো উন্নত করতে চাই। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি, সামনে আরো যেতে হবে।

post
সংবাদ

ভোটদানে বিএনপি বাধা দিলে মোকাবিলা করা হবে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, বিএনপির নির্বাচন বর্জন শান্তিপূর্ণ হলে তা চ্যালেঞ্জ নয়। তবে ভোটের দিন বা তার আগের দিন ভোটারদের বাধা দিলে সেটা আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। সেটা মোকাবিলা করা হবে।শনিবার সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। সিইসি বলেন, যে কোনো নির্বাচনে কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকে। বিএনপি এবারের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণকে নির্বাচন বর্জন করার আহ্বান জানাচ্ছে। সেটা শান্তিপূর্ণভাবে হলে আমাদের কাছে কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক অধিকার অনুযায়ী একটি নির্বাচনের পক্ষে যেমন বলা যায় তেমনি বিপক্ষেও বলা যায়। কিন্তু নির্বাচন প্রতিহত করা যাবে না। যদি তারা প্রতিহত করতে চায় তাহলে যে চ্যালেঞ্জ আসবে সেটার মোকাবিলা করতে হবে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে।

post
সংবাদ

নববর্ষে আতশবাজি-ফানুস না পোড়ানোর আহ্বান

ইংরেজি নববর্ষে দেশবাসীকে আতশবাজি ও ফানুস না পোড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র-ক্যাপস।শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ মাধ্যমে ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদারের পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে অনুরোধ জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, নববর্ষ মানেই উৎসবমুখর একটি দিন। প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা এক মিনিট থেকেই শুরু হয় নতুন বছর উদযাপনের উন্মাদনা। মুহুর্মু শব্দ করে আকাশে ছড়িয়ে পড়ে আতশবাজির আলোকছটা। প্রতিবছরই ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতের বেলা আতশবাজি ও ফানুস পোড়ানো হয়। ফলশ্রুতিতে বছরের প্রথম দিন শুরু হয় অস্বাস্থ্যকর বায়ু সেবন করে এবং সরব উপস্থিতিতে শব্দ দূষণের মত নীরব ঘাতকে সঙ্গে নিয়ে। এই আকস্মিক বায়ু ও শব্দ দূষণ মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশ প্রতিবেশ উপর উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

post
সংবাদ

সিল-সই যুক্ত ব্যালট পেপার দিতে হবে ভোটারকে : ইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে ব্যালট পেপারের উল্টো দিকে সিল ও সই দেওয়ার পর তা ভোটারকে সরবরাহ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের জারি করা এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে নির্দেশনাটি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বাস্তবায়নের জন্য বলেছে ইসি।ভোটাদান প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে সম্প্রতি এই বিধান এনেছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন।রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটারের পরিচয় শনাক্তকরণের পর প্রকৃত ভোটারকে ব্যালট পেপার প্রদানের সময় ব্যালট পেপারের অপর পৃষ্ঠায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩১ এর দফা (২)(ঘ)-এর বিধান অনুসারে অফিসিয়াল সিল দ্বারা ছাপ এবং স্বাক্ষর দিয়ে ভোটারকে ব্যালট পেপার হস্তান্তর করতে হবে।এছাড়া, ভোটগ্রহণের এক পর্যায়ে কোনো ভোটকক্ষে যদি কোনো ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়ে যায় বা ব্যালট পেপার গ্রহণের জন্য তা আর ব্যবহার করা না যায়, তাহলে প্রিসাইডিং অফিসার উক্ত ব্যালট বাক্স তার নিজের স্বাক্ষর ও সিলমোহর দ্বারা এবং উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা নির্বাচনী এজেন্ট বা পোলিং এজেন্টদের মধ্যে যারা ইচ্ছুক তাদের সিলমোহর বা দস্তখত দ্বারা সিল করে দেবেন এবং বাক্সকে একটি সুরক্ষিত স্থানে রাখবেন। অতঃপর ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পূর্বে ভোটকক্ষে যে পদ্ধতিতে ব্যালট বাক্স দিতে হয় সেই পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক পুনরায় একটি নতুন ব্যালট বাক্স ব্যবহার করবেন।

post
বাংলাদেশ

থার্টি ফার্স্টে সন্ধ্যার পর হাতিরঝিলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ইংরেজি নববর্ষের অনুষ্ঠান প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।শনিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। এ আনন্দ উৎসব উদযাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পট্কাবাজি, আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। এ সব নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে। ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ মেনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়।

post
বাংলাদেশ

ভোটারদের কেউ উৎসাহিত ও নিরুৎসাহিত করতে পারবে না : ইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেউ উৎসাহিত ও নিরুৎসাহিত করতে পারবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র থেকে বিষয়টি জানা গেছে। এতে বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত ৪০০ গজ চৌহদ্দীর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশে পোস্টার, হ্যান্ডবিল বা ঐরূপ কোনো প্রকার প্রচারপত্র থাকলে তা ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই সরিয়ে ফেলতে হবে। কেউ যেন ভোটের জন্য ক্যানভাস না করতে পারেন বা কাউকে ভোটদানের জন্য উৎসাহিত বা নিরুৎসাহিত করতে না পারেন, সেই দিকে কড়া নজর রাখতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ১০৩টি। আর ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন। এবারে নির্বাচনে এক হাজার ৮৯১ জনের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রত্যেক প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং পুরো আসনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাবে দিতে হবে। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচন ভণ্ডুল করতে বিএনপি-জামায়াত টাকা ছড়াচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন ভণ্ডুল করার জন্য সারাবিশ্বে টাকা ছড়াচ্ছে এবং দেশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে।শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের কসবা উপজেলার আকছিনা বাজার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, যখনই ভোট হয় তখনই বিএনপি-জামায়াত বলে আমরা ভোট করব না। কারণ, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না। দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকুক সেটা চায় না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কাউকে বা কোনো রাজনৈতিক দলকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। যদি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কেউ অপরাধ করে তাহলে দেশের আইনে তার বিচার হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আপনারা ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। আপনাদের প্রতিনিধি ভবিষ্যৎ দেখবে।

post
বাংলাদেশ

স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সারাদেশে র‍্যাব মোতায়েন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারাদেশে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী র‌্যাব ফোর্সেস শুক্রবার থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সব নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সমগ্র দেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে হেলিকপ্টার ও ডগ স্কোয়াড নিয়োগ করা হবে।’

post
সংবাদ

নির্বাচন সামনে রেখে উপকূলে মোতায়েন হলো কোস্টগার্ড

নির্বাচন নির্বাচন সামনে রেখে শান্তি-শৃঙ্খলারক্ষায় উপকূলীয় এলাকায় মোতায়েন হলো বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। শুক্রবার বিকেলে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলারক্ষায় ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে উপকূলীয় ৪৩টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মোতায়ন করা হয়েছে। খন্দকার মুনিফ তকি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ কোস্টগার্ড নির্বাচন-পূর্ববর্তী, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকাগুলোতে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্বপালন করবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.