post
বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে শক্ত পদক্ষেপ নিন: প্রধানমন্ত্রী

জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অব্যাহত দমন-পীড়ন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি সংকটের টেকসই সমাধানে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শক্তিশালী ও বাস্তব ভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে ৫টি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কের হোটেল লোটে প্যালেসে ‘রোহিঙ্গা সংকট’ বিষয়ে একটি হাই-লেভেল সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।এতদিনেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একজন রোহিঙ্গাকেও তাদের মাতৃভূমিতে ফিরতে না দেখেই গত মাসে আমরা দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকটের ষষ্ঠ বছরে পা দিয়েছি।তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ সৃষ্টিতে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের বাস্তব পদক্ষেপ এবং প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।শেখ হাসিনা বলেন, কিছু নির্বাচিত ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে না। সংকট সমাধানে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য ও সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি মিয়ানমারের স্বার্থকে বাড়িয়ে তুলছে। বাংলাদেশ মনে করে- রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন এবং একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো শক্তিশালী ভূমিকা নেবে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ন্যায়বিচার থেকে দায়মুক্তির বিরুদ্ধে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যে কোনো উদ্যোগকে সমর্থন করবে। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং আসিয়ানের বর্তমান ফোকাস মিয়ানমারে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা- মিয়ানমারের জনগণের জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচার আনতে এবং নিজেদের জন্মভূমিতে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ এই সংস্থাগুলোর শক্তিশালী ভূমিকার জন্য অপেক্ষা করছে।রোহিঙ্গা ইস্যুতে আসিয়ানের শক্ত ভূমিকা প্রত্যাশা করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে আসিয়ান প্রধান ভূমিকা নিতে পারে। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতে রাখাইন রাজ্যের ওপর কফি আনান উপদেষ্টা কমিশনের সুপারিশগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের ব্যাপক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত। বেসামরিক পর‌্যবেক্ষক হিসেবে তাদের অর্থবহ উপস্থিতি স্বেচ্ছায় নিজের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের জন্য রোহিঙ্গাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ৫টি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এগুলো হলো-১.  রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক ও আর্থিকভাবে সমর্থন করা;২. আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ এবং মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়াকে সমর্থন করা; আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং জাতীয় আদালতের সামনে কার্যক্রমে সহায়তা করা।৩. জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অব্যাহত দমন-পীড়ন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা;৪.  আসিয়ানের পাঁচ-দফা ঐক্যমতের অধীনে মিয়ানমারকে তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে বলা, দৃঢ়ভাবে বলা।৫. বাধাহীন মানবিক প্রবেশাধিকারের জন্য মিয়ানমার যাতে সম্মত হয় সেই প্রচেষ্টা চালানো।ঐতিহাসিক ভাবে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক সে কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অষ্টম শতাব্দী থেকে রোহিঙ্গারা আরাকানে বসবাস করছে, যা এখন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার যখন স্বাধীন হয়, নতুন সরকার কোন কোন জাতিসত্তা নাগরিকত্ব পেতে পারে তা সংজ্ঞায়িত করে নাগরিকত্ব আইন পাস করে। এতে রোহিঙ্গাদের ভিন্ন জাতির বহিরাগত হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে। তারপরে ১৯৮২ সালে নতুন একটি নাগরিকত্ব আইন পাস করা হয়েছিল যেটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে থাকা ১৩৫ জাতিগোষ্ঠীর একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।তিনি বলেন, যাইহোক, ১৯৫২ সালে, যখন ইউ নু রাষ্ট্রপতি হন, তিনি তার মন্ত্রিসভায় দুই জন মুসলিম রোহিঙ্গাকে অন্তর্ভুক্ত করেন- বাণিজ্য ও উন্নয়ন মন্ত্রী হিসাবে ইউ রশিদ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রী হিসেবে সুলতান মাহমুদকে। তার পার্লামেন্টে আব্দুল বাশার,  জোহোরা বেগম, আবুল খায়ের, আবদুস সোবহান, রশিদ আহমেদ, নাসিরুদ্দিন এবং দুইজন সংসদীয় সচিব, সুলতান আহমেদ এবং আব্দুল গাফফার নামে ছয়জন মুসলিম রোহিঙ্গা ছিলেন। এটি প্রমাণ করে মুসলিম রোহিঙ্গরা এখনো মিয়ানমারের নাগরিক এবং একজন নাগরিক হিসেবে মুসলিম রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মন্ত্রিসভা এবং সংসদে থাকতে পারে।রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনই এই সংকটের একমাত্র সমাধান সে কথা পুর্নব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং সেখানেই এর সমাধান রয়েছে। রোহিঙ্গাদের পদ্ধতিগতভাবে বাদ দেওয়া এবং নির্বিচার নিপীড়নের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার ১৯৬০ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের অব্যহত ভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। আজকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বিতাড়িত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকের সংখ্যা ১ দশমিক ২ মিলিয়ন (১২ লাখ) এবং ক্যাম্পে প্রতিদিন নতুন নতুন শিশু জন্ম নিচ্ছে।শান্তিপূর্ণ ভাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুরু থেকেই বাংলাদেশ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়েছে। ২০১৭ সালে গণহারে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে দুই দেশ তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য  ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে দুটি প্রচেষ্টাও চালানো হয়েছিল। কিন্তু রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় বাছাই করা সেসব রোহিঙ্গারা ফিরতে রাজি ছিল না। তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা, সহিংসতার পুনরাবৃত্তি না হওয়া, জীবিকার সুযোগ এবং নাগরিকত্বের পথ সহ মৌলিক অধিকারের ইস্যুগুলো  তাদের উদ্বেগের কারণ ছিল।তিনি বলেন, অব্যহত ভাবে মিয়ানমার তার অঙ্গীকার অমান্য করায়, ত্রিপক্ষীয় একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চীনের সহায়তায় প্রত্যাবর্তন আলোচনা শুরু করার জন্য বাংলাদেশ বিকল্পের আশ্রয় নেয়। তবে আজ পর‌্যন্ত তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি।

post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বাসরোধ করে প্রবাসী বাংলাদেশিকে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে ডাকাত দল। এরপর তার দোকানও লুট করা হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে ইস্টার্নকেপ প্রভিন্সের মাটাটিয়াল শহরের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশির গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানায়। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করতেন।স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টিন কেটে কয়েকজন ডাকাত বাংলাদেশি প্রবাসীর দোকানে প্রবেশ করে। ডাকাতদল এসময় মাসুদুর রহমানের গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। পরে দোকানে থাকা নগদ টাকা ও বিভিন্ন জিনিসপত্র লুট করে চলে যায়। খরব পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে মাসুদুর রহমানের মরদেহ নিয়ে যায়। মাসুদুর রহমানের মরদেহটি দেশে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে বলে জানিয়েছেন সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।

post
টেক মেন্টর

২৮ সেপ্টেম্বর পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিসিএনএ কোর্সের সেমিনার

বাংলাদেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে চাহিদা রয়েছে ব্যাপক । বর্তমানে সময়োপযোগী একটি ক্যারিয়ার বান্ধব প্রফেসনাল কোর্স হলো সিসিএনএ । নেটওয়ার্কিং এর ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হলে এ কোর্সের বিকল্প নাই। যারা অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্র্রহী না , অফিস চাকুরী যাদের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন তাদের জন্য নেটওয়ার্কিং শিখা জরুরী। শুধু নেটওয়ার্কিং শিখলেই হবেনা, সেই সাথে সিসিএনএ সার্টিফিকেটটিও অর্জন করতে হবে। আর এ সার্টিফিকেটটি থাকলে বাংলাদেশে সবচাইতে টপ চাকুরী সেক্টরগুলোতেই(ব্যাংক, টেলিকমিউনিকেশন, টিভি চ্যানেল, কর্পোরেট কোম্পানী) চাকুরীর ব্যাপারে আপনার চাহিদা তৈরি হবে।এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.০০ টায় আয়োজন করতে যাচ্ছে সিসিএনএ’এর উপর বিশেষ একটি সেমিনার । বাংলাদেশে একমাত্র পিপলএনটেক ই দিচ্ছে রিয়েল ডাটা সেন্টারে প্রফেশনাল CCNA ট্রেনিং বিস্তারিত জানতে অংশ নিন “Cisco Certified Network Associate (CCNA)” বিষয়ক সেমিনারে। সেমিনারে যা থাকছেঃ ১। CCNA কেনো শিখবেন? ২। ক্যারিয়ার হিসাবে CCNA? ৩। CCNA এর কর্পোরেট ডিমান্ড কেমন? ৪। ফিউচারে CCNA ক্যারিয়ার ডিমান্ড? ৫। আন্তর্জাতিক মার্কেটে এই ক্যারিয়ারের গ্রহণযোগ্যতা কেমন? ৬। স্যালারি রেঞ্জ কেমন হয়? অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করুনঃ https://forms.gle/QhDtuBFUYf5Zv5tZAযোগাযোগ করুনঃ 01799446655, 01885981250 পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি ১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bd

post
এনআরবি সাফল্য

সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ দেশের মধ্যে তৃতীয় বাংলাদেশের তাকরীম

সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ৪২তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম (১৩)। এর আগে, গত ৫ মার্চ তেহরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন বাংলাদেশের এই হাফেজ। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এসময় তৃতীয় স্থান অর্জন করা তাকরীমকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার উপদেষ্টা ও মক্কা নগরীর গভর্নর খালেদ আল ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আলে শেখসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। গত ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হয় বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা। চূড়ান্ত পর্ব শেষ হয় বুধবার। এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশ থেকে ১৫৩ জন অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ ১৫ প্রতিযোগীকে ২৭ লাখ রিয়াল পুরস্কার দেওয়া হয়। হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম ঢাকার মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদরাসার শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামে। তার বাবা হাফেজ আব্দুর রহমান মাদরাসার শিক্ষক এবং মা গৃহিণী।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ফিরে ছাদখোলা বাসে সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলের শোভাযাত্রা

নেপাল থেকে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। বর্ণাঢ্য আয়োজনের অংশ হিসেবে ফুটবলারদের সাদরে বরণ করার জন্য নানা আয়োজন ছিল বিমানবন্দরে। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট উৎসর্গ করেছেন দেশের সকল মানুষকে। বুধবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বাংলাদেশের মেয়েদের বহনকারী বিমান। তাদেরকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া ও যুব প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তারা। সাফল্য নিয়ে দেশে ফেরার উদযাপনের শুরুতেই মহাসমারোহে কেক কাটেন সাবিনা। এরপর ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয় মেয়েদের। এরপর শিরোপা নিয়ে ছাদখোলা বাসে শোভাযাত্রায় বের হয় নারী ফুটবল দল। রাস্তার চারপাশে সমর্থক জড়ো হয়ে শুভেচ্ছা জানান খেলোয়াড়দের।বিমানবন্দর থেকে মেয়েদের বহনকারী বাস কাকলী, জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিজয় সরণি, তেজগাঁও, মৌচাক, কাকরাইল, আরামবাগ, মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে যায়  বাফুফে ভবনে।প্রথমবারের মতো জেতা সাফের শিরোপাকে দেশের সকল মানুষের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাবিনা, 'আমাদেরকে এত সুন্দরভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এখানে আমাদের মন্ত্রী মহোদয় আছেন, ফেডারেশনের কর্মকর্তারা আছেন তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের মেয়েদের, বাংলাদেশের ফুটবলকে আপনারা যে এত ভালোবাসেন, সেজন্য আমরা অনেক অনেক অনেক গর্বিত। সকলকে ধন্যবাদ। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন। এই ট্রফি বাংলাদেশের ১৬ কোটি বলুন, ১৮ কোটি বলুন বা ২০ কোটি বলুন, এই সকল মানুষের।' আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা সাবিনা দিয়েছেন আরও এগিয়ে যাওয়ার বার্তা, 'আমরা একটা ভালো ফল করে এসেছি। আমাদের এখন চিন্তা হচ্ছে সামনের দিকে কীভাবে আরও এগিয়ে যাওয়া যায়।' মেয়েদের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন ২৮ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড, 'অবশ্যই, সবচেয়ে বড় যে প্রাপ্য সেটা আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) চেয়ারম্যান কাজী সালাহউদ্দিন স্যারের। উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান কিরণ আপাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মন্ত্রী মহোদয়গণ সহযোগিতা করেছেন। ২০১২ সাল থেকে মেয়েদের ফুটবল ভালোভাবে চলছে এবং গত চার-পাঁচ বছরের যদি সাফল্য দেখেন, মেয়েদের পরিশ্রম দেখেন, সেটারই ফল আমরা পেয়েছি। আমরা আসলে কৃতজ্ঞ সবার প্রতি।'

post
এনআরবি বিশ্ব

পর্তুগালে আবাসন ভোগান্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

আবাসন সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অভিবাসনের আশায় সম্প্রতি পর্তুগালে পাড়ি জমানো প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শুধু একটি বাসা বা কক্ষই নয়, একটি স্থায়ী সিট পেতেও অপেক্ষার যেন শেষ নেই। আর তাই, পর্তুগাল আসার আগেই আবাসন সুবিধা নিশ্চিতে একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব কিছুটা কমে আসায় এ বছর গ্রীষ্মে পর্যটকের ঢল নামে পর্তুগালে। অন্যদিকে, সহজ অভিবাসন, বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিবেচনায় বহু বিনিয়োগকারীও বেছে নেন এই দেশটিকে। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি পর্তুগালে দেখা দিয়েছে চরম আবাসন সংকট। শুধু রাজধানী লিসবনেই নয়, দেশটির অধিকাংশ বড় শহরেও স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছেন অভিবাসীরা। শুধু অভিবাসীরাই নন, তীব্র আবাসন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরাও। অ্যাপার্টমেন্ট বা রুম তো দূরে থাক, থাকার মতো একটি সিটও মিলছে না কারো। বাধ্য হয়েই থাকতে হচ্ছে হোটেলে বা দৈনিক ভিত্তিতে ভাড়া দিয়ে, যা অনেকের জন্যই বেশ ব্যয়বহুল। আর তাই পর্তুগালে আসার আগে আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের।এদিকে, চলমান এ সংকটে দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান কমিউনিটি নেতাদের। লিসবনের কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জহিরুল আলম জসিম বলেন, আবাসন সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় বাসাবাড়িগুলোকে হোটেল হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি বাতিল এবং আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মতো নানা উদ্যোগ।

post
বাংলাদেশ

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান

দেশের বিমানবন্দরে প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান হয়রানির শিকার হন রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। ভ্রমণে যাতায়াতে কন্ট্রাক্ট, মালামাল চুরি, লাগেজ কাটা ও ট্রলি সংকটের মতো ঘটনার মুখোমুখি হন তারা। অনেকের কাছে তাই বিমানবন্দর মানেই আতঙ্কের নাম। অথচ বিমানবন্দর হওয়ার কথা ছিল নিরাপদ ও স্বস্তির জায়গা। প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট জটিলতা, দেশে সার্বিক নিরাপত্তা, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ও সহজ বিনিয়োগ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।সরকারকে রেমিট্যান্স বাড়াতে হলে সবার আগে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও তাদের বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ইউএই ও খুলনা প্রেস ক্লাবের সমন্বয়ে আয়োজিত এ সভায় প্রবাসী বাংলাদেশি, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।দীর্ঘ আলোচনায় বক্তারা প্রবাসীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি তুলে ধরে বলেন, অভিবাসী দিবসকে সমানে রেখে সরকারের উচিত প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধাগুলো আরও গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করা। বিশেষ করে এই দিবস উপলক্ষে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় অন্তত একশটি এজেন্ডা নিয়ে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। এ ছাড়াও বক্তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রবাসীর সন্তানদের জন্য বিশেষ কোটা প্রথা চালু, দেশের বাইরে সাধারণ শ্রমিকদের শিক্ষার আলোয় বিকশিত করতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু, সরকারি দপ্তরে প্রবাসী প্রতিনিধি প্রদান, প্রবাসে থাকা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, ই-পাসপোর্টের জটিলতা নিরসন ও বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক মাহমুদ সোহেল, বিমল সাহা, হুমায়ুন কবীর, আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া, সংগঠক প্রকৌশলী মইনুল ইসলাম, ইফতেখার পাবেল, জুলফিকার হায়দার, সাজন আহমেদ সাজু, শামসুল হক প্রমুখ।

post
এনআরবি বিশ্ব

বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে আমিরাতে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়

বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ও বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাই ও আজমানের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আজমান স্পাইসি রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মনিরুস সালেহীন।সচিব বলেন, বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে, বর্তমানে যেসব সমস্যাগুলো রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিতে বাধাগ্রস্ত করছে সেগুলো দূর করতেও সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে বলে জানান তিনি। দুবাই কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেনের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহা. খুরশিদ ওয়াহাব, বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাইয়ের সভাপতি ও এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাহাতাবুর রহমান নাসির সিআইপি।

post
খেলা

দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

নেপালের মাটিতে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে সেরা হয়েছে বাংলাদেশ। রেফারির শেষ বাঁশি, বাংলাদেশের উল্লাস... এই দিনটি দেখার অপেক্ষা বাংলাদেশের ফুটবলাঙ্গনে দীর্ঘদিনের। দক্ষিণ এশিয়ার সেরা বাংলাদেশ।নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৫টায় শুরু হয়ে ফাইনালের শিরোপা লড়াই। প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল সাবিনা খাতুনরা। দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রথমে একটি গোল হজম করে তারা। ম্যাচ পরিণত হয় ২-১ এ। এর কিছুক্ষণ পর আবারও গোল করে বাংলাদেশ এবং শিরোপা জয় নিশ্চিত করে নেয়।ফাইনালের জয়ের নায়ক কৃষ্ণা রাণী সরকার। তার জোড়া গোলে বাংলাদেশ নেপালকে বধ করে। ফাইনালের শুরু থেকেই খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে বাংলাদেশ। ১৪ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়র দুর্দান্ত গোল করেন। মনিকা চাকমার ক্রস থেকে শামসুন্নাহার জুনিয়র কোনাকুনি প্লেসিংকে করে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন। এক গোলে পিছিয়ে পড়ে পুরো দশরথ স্টেডিয়াম স্তব্ধ হয়ে পড়ে। উজ্জীবিত নেপাল সমর্থকরা কিছুক্ষণের জন্য নিশ্চুপ হয়ে যান। নেপাল ফুটবলাররা ম্যাচে সমতা আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করে। বিশেষ করে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে তারা বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ আক্রমণ করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা দুটি দারুণ সেভ করেছেন।নেপালের জালে বাংলাদেশ দ্বিতীয় গোল দেয় ৪২ মিনিটে। মিডফিল্ড থেকে বাড়ানো এক থ্রু পান কৃষ্ণা রাণী সরকার। বক্সের এক প্রান্তে আনমার্কড থাকা কৃষ্ণা আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। বাংলাদেশের ডাগআউট আবার উৎসবে মাতে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিক নেপাল বেশ চাপে রাখে বাংলাদেশকে। সেই চাপের ধারাবাহিকতায় ৭০ মিনিটে আনিতা বেসন্ত গোল করে নেপালকে ম্যাচে ফেরান। সংঘবদ্ধ এক আক্রমণে বক্সের মধ্যে প্রবেশ করে কোনাকুনি শটে রুপনা চাকমাকে পরাস্ত করেন বেসন্ত। স্কোর হয় ২-১।নেপাল আরও এক গোল দিয়ে সমতা আনার চেষ্টা করছিল। বহু আক্রমণ হয়েছে বাংলাদেশের ডি-বক্সে। তবে গোল তারা আর পায়নি। উল্টো বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড কৃষ্ণা রাণী সরকার নিজের ২য় গোল করে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে দেন।৭৭ মিনিটে মিডফিল্ড থেকে পাওয়া থ্রুতে তিনি আগুয়ান গোলরক্ষককে দারুণভাবে পরাস্ত করেন। কৃষ্ণার এই গোলের পর কোচ ছোটনের কপাল থেকে চিন্তার ভাঁজ একেবারে মুছে যায়। ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় সাবিনারা।দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্ব নারী দলে এবারই প্রথম। এর আগে ২০১৬ সালে ভারতের শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে হেরেছিল। এবার কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সিনিয়র ফুটবলে কখনো ভারত ও নেপালকে না হারানো বাংলাদেশ এবার তাদের হারিয়েছে। গ্রুপ পর্বে হারিয়েছে ভারতকে আর ফাইনালে নেপালকে। 

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আহ্বান আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে লন্ডনের মারিয়ট হোটেলে বিবিসিসিআই নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে জনশক্তি যা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং মানুষের জীবন উন্নত করা সম্ভব। কিন্তু এজন্য প্রয়োজন দেশের জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা। তিনি এই খাতে প্রবাসী বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যে ক্যাটারিং সেক্ট্ররে দক্ষ জনশক্তির প্রচুর চাহিদা পূরণে দেশে ক্যাটারিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় সব রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়াও দেশের স্বাস্থ্যখাত এবং কৃষি খাতে বিনিয়োগের জন্য ও প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। বিবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান রেনু’র এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের বিদ্যমান দুর্দশা বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যাত্রীদের অতিমাত্রায় হয়রানি লাগবে সরকার পদক্ষেপ নেবে। মন্ত্রী শিগগিরই বিমানের কার্গো সুবিধা চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা ও উল্লেখ করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.