২০ মাস বয়সী শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিলো না গত অক্টোবর থেকে। জর্জিয়ার সাভানাতে নিজ বাড়ি থেকেই শিশুটি হারিয়ে যায়। আর তা পুলিশে রিপোর্ট করে তার মা। এর মাসাধিক কাল পর পুলিশ শিশু ছেলেটির দেহাবশেষ খুঁজে পায় জর্জিয়ার একটি ভরাটকৃত জমিতে। এখন পুলিশ এই ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে তার মাকেই।
পুলিশ বলেছে, শিশুটির মা লিলানি সিমনকেগত সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে মরদেহ গুম ও পুলিশে মিথ্যা রিপোর্ট করার মতো অপরাধের অভিযোগও আনা হয়েছে লিলানির বিরুদ্ধে।
চাথাম কাউন্টি পুলিশের প্রধান জেফরি হ্যাডলি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ২২ বছর বয়সী এই মা তার ছেলে কুইনটন সিমন হারিয়ে যাওয়ার খবর জানিয়ে পুলিশে রিপোর্ট করেন গত ৫ অক্টোবর।
তখনই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে একটি টুইট করে।
মি. জেফরি বলেন, "ছোট্ট কুইনটনের হারিয়ে যাওয়ার এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তোলে। লাখ লাখ মানুষ বিষয়টিতে তাদের উদ্বেগ জানায়। এবং এর একটি সুরাহার অপেক্ষায় ছিলো।"
ছেলেটির মাকে চাথাম কাউন্টি কারাগারে রাখা হয়েছে।
আর এই ঘটনায় অন্য কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
পুলিশ জানায়, ছেলেটির হারিয়ে যাওয়ার রিপোর্টের পরপরই এফবিআই'র এজেন্টরা ঘটনাস্থলে যান। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা ছেলেটিকে খুঁজে বের করার কাজে লেগে পড়ে।
পরে ১২ অক্টোবরেই পুলিশ ঘোষণা করে, তারা ধারণা করছে কুইনটনকে হত্যা করা হয়েছে। এবং তার মাকেই রাখা হয়েছে সন্দেহভাজনদের তালিকার শীর্ষে।
এরপর গত শুক্রবার পুলিশ জানায়, চাথাম কাউন্টির একটি আবর্জনা ভরাট করা জমিতে শিশুটির লাশ থাকতে পারে এমনটা তারা অনেকাংশেই নিশ্চিত হয়। এরপর সেখানে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। এফবিআই'র এজেন্টরা ও জর্জিয়া ডিপার্টমেন্ট অব ন্যাচারাল রিসোর্সেস এর কর্মকর্তারা গত ত্রিশ দিন ধরে ফেলা রাখা ১.২ মিলিয়ন পাউন্ড আবর্জনা সরিয়ে কিছু দেহাবশেষ খুঁজে পায়।
এরপর সেই দেহাবশেষ ভার্জিনিয়ার কোয়াটিকো ল্যাবে পাঠানো হয়। এছাড়াও দেহাবশেষগুলোর ডিএনএ পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেয় এফবিআই। তবে সেই রিপোর্ট আসার আগেই, পুলিশ অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করে ছেলেটির মা লিলানি সিমনকে।
