সরকারের নেয়া উন্নয়ন কর্মসূচিতে বদলে গেছে সিরাজগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র। জরাজীর্ণ শ্রেণীকক্ষ আর টিনশেড ভবনের পরিবর্তে তৈরী করা হয়েছে অত্যাধুনিক ভবন। নানা সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি স্মার্ট ক্লাস রুম আর আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জামে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে দারুন এক শিক্ষার পরিবেশ। ফলে বিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। সিরাজগঞ্জ শহরের যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মল্লিকা ছানাউল্লাহ আনছারী উচ্চ বিদ্যালয়। রামগাতি গ্রামে ৪ টি টিনের ঘর নিয়ে শুরু হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীও ছিল কম।
তবে সময়ের ব্যাবধানে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে নবনির্মিত বিদ্যালয় ভবন বদলে দিয়েছে এর চেহারা। স্মার্ট ক্লাসরুমসহ দেয়া হয়েছে আধুনিক সব শিক্ষা সরঞ্জামও।
এদিকে, শিয়ালকোল ইউনিয়নের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার পরিবেশও এখন উন্নত হয়েছে, বেড়েছে শিক্ষার্থী সংখ্যা। শুধু এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, জেলার প্রায়সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিসিটিভির আওতায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এছাড়ারাও বহুতল ভবনে ডিজিটাল ল্যাব, কিশোরীক্লাব নিশ্চিত করছেন জেলা শিক্ষা প্রশাসন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানের তথ্যমতে,বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদে ৩৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ কাজ শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অবকাঠামোগত উন্নয়নে শিক্ষা ব্যবস্থাই পরিবর্তন হয়ে বলে জানান,সিরাজগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না।জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ৭২৯টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ ও নানা আধুনিক সুযোগ সুবিধা ।
