বাংলাদেশ

মেট্রোরেলে যাতায়াতে বাড়বে কাজের গতি, ত্বরান্বিত হবে অর্থনীতি

post-img


বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার একটি মর্যাদার প্রতীক ‘মেট্রোরেল’। রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার আশীর্বাদ হয়ে আসা মেট্রোরেলের ফলে, কর্মস্থলগামী যাত্রীদের রাস্তায় দীর্ঘসময় আটকে থেকে শ্রমঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে না। যার প্রভাবে বাড়বে কাজের গতি, ত্বরান্বিত হবে সামগ্রিক অর্থনীতি। সেইসাথে পরিবেশবান্ধব এই গণপরিবহন সেবায়, যানজটের নগরীতে রাজধানীবাসী পাচ্ছে স্বস্তিময় যাত্রায় নতুন রূপ। রাজধানী ঢাকার নাগরিক জীবনে সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় হয়ে যায় যানজটে আটকে। নগরবাসীকে সেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিয়েছে আধুনিক যুগের গণপরিবহন সেবা মেট্রেরেল। যার ফল এরইমধ্যে পাচ্ছেন যাত্রীরা, সেইসাথে সম্প্রতি মেট্রোরেল পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে পৌঁছেছে বাণিজ্যিক কেন্দ্র মতিঝিল পর্যন্ত।এমআরটি লাইন-৬ সম্পূর্ণ অংশ চালু হওয়ার পর দৈনিক যাত্রা সময় ব্যয় বাবদ প্রায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং যানবাহন পরিচালন ব্যয় বাবদ প্রায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা সাশ্রয় হবে। যা বছরের হিসেবে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া সড়কে যানজটে যে পরিমাণ জ্বালানির অপচয় হতো, তাও হ্রাস পাবে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন প্রায় লাখো মানুষ মেট্রোরেলে যাতায়াত করছেন। রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরের আবাসিক এলাকা থেকে কর্মস্থল অভিমুখে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় বাসে করে যেতে যেখানে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে মেট্রোরেলে তা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ আধাঘন্টায়। এতে করে যাতায়াতকারী পাচ্ছেন অতিরিক্ত কর্মসময়। প্রতিদিন সর্বমোট প্রায় ৩ লাখ ঘণ্টা যোগ হচ্ছে কর্মস্থলে। যা শক্তিশালী করবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে।

পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার মনে করেন, মেট্রোরেলের ফলে নিচের সড়কেও যানবাহনের চাপ কমানো সম্ভব হবে । এছাড়া মেট্রোরেলে নেই শব্দ দুষণ এবং বায়ু দূষণ। তাই পরিবেশবান্ধব এই যাত্রীসেবা রাজধানীকে রাখছে সুরক্ষিত এমনটাও মনে করেন এই পরিবেশবিদ। মেট্রোরেলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত যেতে ভাড়া ১০০ টাকা। আর স্বল্প দূরত্বে যেতে স্টেশন-টু-স্টেশন ন্যূনতম ভাড়া ২০ টাকা।##


সম্পর্কিত খবর

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.