post
প্রযুক্তি

টেলিকম অবকাঠামো ব্যবহারের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত

যৌথভাবে টেলিকম অবকাঠামো ব্যবহারের লক্ষ্যে টেলিটক, বাংলালিংক এবং সামিট টাওয়ার্স লিমিটেডের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি অবকাঠামো উন্নয়নকারীদেরকে সম্মিলিতভাবে টেলিকম নেটওয়ার্ক উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, টেলিটক ব‌্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান, বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস এবং সামিট টাওয়ার্স লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ আল ইসলাম বক্তৃতা করেন।বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক আস, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান এবং সামিট টাওয়ার্স লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ আল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।চুক্তিটির অধীনে এই দুই টেলিকম অপারেটর টাওয়ার শেয়ারিং নীতিমালাসহ সব নির্দেশিকা ও আইন অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে অবকাঠামো শেয়ারিং করবে। সামিট টাওয়ার্স লিমিটেড এই উদ্যোগে সব ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, অবকাঠামো শেয়ারিং মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করবে। আমরা যদি যৌথভাবে অবকাঠামো ব্যবহার করতে পারি তাহলে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য শক্তির সঠিক ব্যবহার হবে এবং সকল এলাকায় সকল অপারেটর সেবা প্রদানে সক্ষম হবে।মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারাবাহিকতায় টেলিকম এখন বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এক সময়ে আমরা এসএমএস পাঠিয়ে খুশি হতাম কিন্তু এখন ফোরজি নেটওয়ার্ক যথেষ্ট মনে হয় না। ভয়েস কলের প্রাধান‌্য এখন আর নাই এটা ডাটা নির্ভর কলে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই রূপান্তরের জন‌্য বড় হাতিয়ার হচ্ছে অবকাঠামো।চার অপারেটরকে চারটি টাওয়ারে যুক্ত করার পরিবর্তে একটি টাওয়ারে চার অপারেটরকে যুক্ত করতে পারলে ব‌্যবহারকারীরা যেমন উপকৃত হবে তেমনি বিনিয়োগও কমে আসবে। ফলে অপারেটররাও লাভবান হবে। তিনি বলেন, সামনের দিনে ফাইভজিতে রূপান্তরের সময় অনেক বেশি অবকাঠামোর দরকার হবে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক অপারেটরদের জন্য আলাদা আলাদা অবকাঠামো করা অনেক বেশি কঠিন হবে। মন্ত্রী অন্য অপারেটরসমূহ অনুরূপভাবে এগিয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব অবকাঠামো শেয়ারিং চুক্তি মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতের জন‌্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে উল্লেখ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহের মধ‌্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতের অগ্রগতি আরও বেগবান হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব‌্যক্ত করেন।

post
প্রযুক্তি

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট সিটিজেন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় : স্পিকার শিরীন শারমিন

ওয়েলকাম টু স্মার্টভার্স’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার তথ্যপ্রযুক্তির সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ১৭ তম বেসিস সফট এক্সপো- ২০২৩।  বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে বেসিস সফট এক্সপো ২০২৩ উদ্ভোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শিরীন শারমিন বলেন, আইসিটি সেক্টরে সাফল্যের জন্য অ্যাকাডেমিক, ইন্ডাস্ট্রি এবং সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন।  তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম অত্যন্ত দক্ষ এবং মেধাবী। এদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। এই সেক্টরের যাতে তারা আরও বেশি আগ্রহী হয় এবং তাদের মেধা এবং যোগ্যতাকে কাজে লাগায় সে বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে ঘোষণা দিয়েছেন সেখানে চারটি বিষয় স্মার্ট ইকনমি, স্মার্ট কমিউনিটি, স্মার্ট গভার্নেন্স এবং স্মার্ট সিটিজেন এই বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।স্মার্ট সিটিজেন গড়ে তোলার বিষয়ে কাজ করে যেতে হবে উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট সিটিজেন এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা সব ধরনের বিষয়কে যদি আমরা আধুনিকায়ন করেও ফেলি, সেটাকে পরিচালনা করার সেই কর্মদক্ষতা সম্পন্ন মানব সম্পদের উন্নয়নও খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তাই স্মার্ট সিটিজেন গড়ে তোলার বিষয়ে আমাদের একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।সংসদের অনেক কার্যক্রম এই সফটওয়্যার সেবার মাধ্যমে সহজ হয়েছে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের সহযোগিতায় সংসদে অনেকগুলো বিষয় আমরা সফটওয়্যার ইনক্লুড করেছি। যা আমাদের কার্যক্রমকে অনেক সহজ করেছে। ই-ফাইলসহ আরও অনেকগুলো ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ ডিজিটাইজেশন করা যে উদ্যোগ সেখানে বেশি বেসিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হচ্ছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর। যেখানে সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রীদের এবং প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন এবং তারা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্ন এবং উত্তরগুলোর যে হার্ডকপি জমা পড়ে তার সবকিছুই এখন একটা সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে। এই কাজটি করতে বিভিন্ন প্রসেস করা হয়েছে। যা বেসিসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।ড. শিরীন শারমিন বলেন, আজ থেকে ১০ বছর আগে ডিজিটাইজেশন মানুষের কাছে ছিল এক প্রকার স্বপ্ন। কিন্তু এখন তা বাস্তব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল ডিজিটাল দেশের রূপান্তর করেছেন। বাংলাদেশের বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি। বর্তমানে গ্রাম পর্যায়ে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড সেবা। মাত্র ১৩ বছরের প্রযুক্তি শিল্পে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে এক দশমিক চার বিলিয়ন ডলার।  ১৭ বছরে বেসিস যেভাবে সংগঠিত হয়েছে সেটা জাতির জন্য গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন বলেন, আমি মনে করি যে স্টলগুলো এখানে দেওয়া হয়েছে তা থেকে তরুণ প্রজন্ম সফটওয়্যার ডেভলপমেন্টের বর্তমান অবস্থা এবং আগামী দিনের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবে।  অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.