post
আন্তর্জাতিক

হুতিদের ওপর আবারো মার্কিনী হামলা

হুতিদের ওপর আবারো হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র নিশানা করে রোববার এ হামলা চালানো হয়। সেন্টকমের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইয়েমেনে হুতিদের মোট পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র নিশানা করে বিমান হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এগুলোর মধ্যে একটি ছিল স্থল হামলার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র,বাকি চারটি জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। লোহিত সাগরে জাহাজ নিশানা করে হামলা চালানোর জন্য ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রস্তুত রেখেছিল হুতিরা। গত শনিবার ইয়েমেনে হুতিদের ৩৬টি লক্ষ্যবস্তুতে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। পরদিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে হুতি লক্ষ্যবস্তুতে এ হামলা চালালো। হুতিরা গত বছরের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে সামরিক-বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশে এই হামলা চালানো হচ্ছে, বলছে হুতিরা।

post
আন্তর্জাতিক

ভুয়া বিয়ে: ইউরোপে ১৫ সদস্য আটক

ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে ইউরোপে মানবপাচারের দায়ে চক্রের ১৫ সদস্যকে আটক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পুলিশ। চক্রটি পর্তুগিজ ও লাটভিয়ার মেয়েদের সঙ্গে ভারতীয় ও পাকিস্তানি ছেলেদের পাতানো বিয়ের ব্যবস্থা করতো। ইনফো-মাইগ্রেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়,গত ২৯ জানুয়ারি ‘অপারেশন টাস্ক ফোর্স লিমাসল’ নামে যৌথ স্টিং অপারেশন পরিচালনা করে সাইপ্রাস, পর্তুগাল ও লাটভিয়ার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, চক্রের সন্দেহভাজন দুই হোতাকে লাটভিয়া ও পর্তুগাল থেকে এবং ১৩ সদস্যকে সাইপ্রাস থেকে আটক করা হয়। চক্রটি পাতানো বিয়ের মাধ্যমে তৃতীয় বিশ্বের দেশের নাগরিকদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে অবৈধ অভিবাসনের সুযোগ করে দিতো। সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোসিয়া ও লারনাকা শহরের টাউন হলে এ বিয়ের আয়োজন করা হতো।ভারত-পাকিস্তানের অভিবাসন প্রত্যাশী ছেলেদের সাথে পর্তুগিজ-লাটভিয়ার মেয়েদের এমন ১৩৩টি বিয়ের তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে।

post
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশকে সহযোগীতা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের অর্থ‌নৈ‌তিক লক্ষ্য অর্জনে সহ‌যো‌গিতা করার বিষ‌য়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন দেশ‌টির প্রেসিডেন্ট জো বাই‌ডেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা‌কে লেখা এক চিঠিতে এমন প্রতিশ্রুতির কথা জানান মা‌র্কিন প্রেসি‌ডেন্ট। ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস চি‌ঠি‌টি সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে হস্তান্তর ক‌রে‌ছে।চি‌ঠি‌তে মা‌র্কিন প্রেসি‌ডেন্ট লি‌খে‌ছেন, যখন আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের অংশীদারিত্বের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করছি, তখন আমি আমার প্রশাসনের পক্ষ থে‌কে আঞ্চ‌লিক ও‌ বৈশ্বিক নিরাপত্তা, অর্থ‌নৈ‌তিক উন্নয়ন, জলবায়ু প‌রিবর্তন, এনা‌র্জি, স্বাস্থ‌্য ব্যবস্থা,  মা‌নবিক সহায়তা; বি‌শেষ ক‌রে রো‌হিঙ্গা শরণার্থী‌সহ অন‌্যান‌্য বিষ‌য়ে একস‌ঙ্গে কাজ কর‌তে চাই।বাংলা‌দে‌শের অর্থ‌নৈ‌তিক লক্ষ‌্য অর্জ‌নে সহ‌যো‌গিতার কথা উল্লেখ ক‌রে মা‌র্কিন প্রেসি‌ডেন্ট প্রধানমন্ত্রী‌কে লি‌খে‌ছেন, বাংলা‌দে‌শের অর্থ‌নৈ‌তিক লক্ষ‌্য অর্জ‌নে সহ‌যো‌গিতার বিষ‌য়ে মা‌র্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রু‌তিবদ্ধ এবং দেশটির স‌ঙ্গে আমাদের ভাগ করা অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প‌্যা‌সি‌ফিক ভিশ‌নের অংশীদা‌রি‌ত্বে কাজ কর‌তে চাই।

post
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হচ্ছে ই-সিগারেট

ডিসপোজেবল ভ্যাপ বা একক ব্যবহারের ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা আমাদের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ধূমপান থেকে বিরত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনকি যেসব প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ-তরুণী ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, আমরা তাদেরও ধীরে ধীরে ধূমপানমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে চাই। শিগগিরই এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এদিকে, সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ই-সিগারেট প্রস্তুতকারী ব্রিটিশ উদ্যোক্তাদের সংগঠন ইউকে ভ্যাপিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন। সেই সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যদি সত্যিই সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে ২০২৪ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটের ক্ষেত্রে তার ফল ভোগ করতে হবে।যুক্তরাজ্যের সরকারি পরিসংখ্যান দপ্তর এবং অলাভজনক সংস্থা অ্যাকশন অন স্মোকিং অ্যান্ড হেলথের (অ্যাশ) তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে যেখানে ৪.১ শতাংশ কিশোর-কিশোরী ধূমপানে আসক্ত ছিল। ২০২৩ সালে তা বেড়ে পৌঁছেছে প্রায় ৯ শতাংশে।

post
আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভে উত্তাল ইইউ পার্লামেন্ট এলাকা

কর এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধি মোকাবিলায় জনগণকে সহায়তা করার পদক্ষেপ নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের সম্মেলন ঘিরে তীব্র প্রতিবাদ করছে ইউরোপের হাজার হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ডিম এবং পাথর ছুঁড়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কৃষকরা। একই সঙ্গে ভবনের কাছে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভ করেছেন তারা।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ ঠেকাতে বসানো প্রতিবন্ধকতা গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কৃষকরা। এ সময় পুলিশ গরম পানি ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়।স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেছেন, পার্লামেন্ট ভবনের চত্বরের একটি মূর্তির সামনে কৃষকরা তাদের ট্রাক্টর নিয়ে জড়ো হয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র ব্রাসেলসের প্রধান প্রধান সব রাস্তা প্রায় এক হাজার ৩০০ ট্রাক্টর দিয়ে অবরোধ করে রেখেছেন কৃষকরা। ব্রাসেলসে এই বিক্ষোভে ইতালি, স্পেন এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের কৃষকরাও অংশ নিয়েছেন।ইউরোপীয় কাউন্সিলের সদরদপ্তরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতাদের বৈঠকের সময় বাইরে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা। এ সময় ওই এলাকায় দাঙ্গা পুলিশের সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। কৃষকরা বলছেন, তাদের পর্যাপ্ত অর্থ সহায়থা দেওয়া হচ্ছে না। ক্রমবর্ধমান কর এবং সবুজ বিধি-বিধানের কারণে তাদের দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো দশা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশ থেকেও অন্যায্য প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

post
আন্তর্জাতিক

সুদান-দক্ষিণ সুদান সীমান্তে ভয়াবহ সহিংসতা, নিহত ৫২

সুদান ও দক্ষিণ সুদান সীমান্তে ভয়াবহ সহিংসতায় ৫২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। উভয় দেশের মধ্যে বিতর্কিত আবেই অঞ্চলে সহিংসতা ও প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।মঙ্গলবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে একটি বিতর্কিত অঞ্চলে হামলা ও সহিংসতায় কয়েক ডজন লোক নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। সামগ্রিকভাবে গত সপ্তাহান্তে আবেই অঞ্চলে নারী ও শিশুসহ ৫২ জন মারা গেছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা সোমবার জানিয়েছেন। সুদান এবং দক্ষিণ সুদান উভয়ই তাদের যৌথ সীমান্ত বরাবর তেল সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের মালিকানা দাবি করে থাকে। আবেইয়ের তথ্যমন্ত্রী বুলিস কোচ জানিয়েছেন, গত শনিবার দক্ষিণ সুদানের ওয়ারাপ রাজ্যের সশস্ত্র যুবকরা প্রতিবেশী আবেইতে হামলা চালায়। সীমানা নিয়ে বিরোধে ২০২১ সাল থেকে এই ধরনের হামলা চলছে এবং সর্বশেষ এই হামলাটি ছিল সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা। হামলায় নিহতদের পাশাপাশি আরও ৬৪ জন আহত হয়েছেন।

post
আন্তর্জাতিক

গাজায় গণহত্যা রোধে সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আইসিজের

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত আইসিজে এই রায় দিয়েছে। খবর আলজাজিরার।আদালত বলেছেন, গাজায় গণহত্যা প্রতিরোধে ইসরায়েলকে নিজেদের ক্ষমতার মধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ইসরায়েলি বাহিনী যেন গাজায় গণহত্যা না চালায় সেটা ইসরায়েলকে নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে গণহত্যার যে অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে উঠেছে তার সব প্রমাণ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।এর আগে গত ডিসেম্বরে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিজেতে মামলাটি করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ মামলার ওপর চলতি মাসের শুরুর দিকে আইসিজেতে দুদিনের শুনানি হয়।বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে ৯টি আরজি জানিয়েছে। গাজায় সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি মানবিক সহায়তা সরবরাহের পথ স্বাভাবিক রাখতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেওয়ারও অনুরোধ জানায় দেশটি।শুনানিতে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়, আদালত যেন জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলকে গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশ দেন। গণহত্যা কনভেনশনের আওতায় ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আদালতের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ ঘোষণা করা জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়। এরপরই এই রায় দিলেন বিশ্ব আদালত।আইসিজেকে বিশ্ব আদালত নামেও পরিচিত। এটি জাতিসংঘের একটি দেওয়ানি আদালত। সদস্যভুক্ত এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের বিরোধের বিচার করে এই আদালত। তবে এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে আলাদা। আইসিসি যুদ্ধাপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার করে থাকে। জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইসরায়েল—দুই দেশই দুই আদালতের রায় মেনে চলতে বাধ্য। তবে রায় মানার জন্য কোনো দেশের তেমন বল প্রয়োগ করতে পারেন না আইসিজে।তবে দক্ষিণ আফ্রিকার এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিওর হাইয়াত এক এক্সবার্তায় বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা যে দাবি করেছে তার বাস্তব ও আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। এটি আদালতকে ঘৃণ্য ও অবমাননাকর উপায়ে শোষণের শামিল।

post
আন্তর্জাতিক

প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যে এক আসামিকে প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) এ পদ্ধতিতে কেনেথ ইউজিন স্মিথ (৫৮) নামের এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে দেশটির কারা কর্তৃপক্ষ। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো আসামিকে এভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার নজির এটিই প্রথম। খবর বিবিসি।স্মিথের আইনজীবীরা একে নিষ্ঠুর ও অস্বাভাবিক শাস্তি হিসেবে অভিহিত করে এর বিরুদ্ধে আপিল করেন। তবে এই আপত্তি খারিজ করেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আদালতে। এর আগে ২০২২ সালে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়। তবে তখন এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়।কেনেথের বিরুদ্ধে ১৯৮৯ সালে এক যাজকের স্ত্রী এলিজাবেথ সেনেটকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ভাড়াটে খুনি হিসেবে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। ১৯৯৬ সাল থেকে কারাবন্দি আছেন কেনেথ।মার্কিন ডেথ পেনল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্যমতে, স্মিথই প্রথম ব্যক্তি, বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে যার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম যারা নতুন এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল।

post
আন্তর্জাতিক

চ্যাটজিপিটি দিয়ে লেখা উপন্যাসে পুরস্কার পেলেন জাপানি লেখক

জাপানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ “আকুতাগাওয়া” সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দেশটির জনপ্রিয় লেখক রি কুদান। তবে এরপর তিনি স্বীকার করেছেন যে, পুরস্কার পাওয়া উপন্যাসটি লিখতে তিনি ওপেনএআইয়ের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাপ্রযুক্তির প্রোগ্রাম চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিয়েছেন।গত বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ৩৩ বছর বয়সী কুদানকে “দ্য টোকিও টাওয়ার অব সিম্প্যাথি” উপন্যাসের জন্য প্রতিশ্রুতিশীল লেখক হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হয়।পুরস্কার পাওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে কুদান বলেছেন, ওই বইটির প্রায় ৫% কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় লেখা হয়েছে।কুদান বলেন, “আমি আমার সৃজনশীলতা দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহারের চেষ্টা করেছি।”কুদান জানান, ব্যক্তিগত জীবনেও যেসব সমস্যাগুলোর কথা তিনি কাউকে বলতে পারবেন না সেটা তিনি চ্যাটজিপিটির সঙ্গে পরামর্শ করেন।এ বিষয়ে লেখক ও পুরস্কার কমিটির সদস্য কেইচিরো হিরানো এক্সে (টুইটার) বলেছেন, “নির্বাচন কমিটি কুদানের এআইয়ের ব্যবহারকে সমস্যা হিসেবে দেখছে না।”তিনি বলেন, “রি কুদানের পুরস্কার নিয়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তার বইটি পড়লে আপনারা স্পষ্ট হবেন। কারণ তার বইয়ে এআই ব্যবহারের কথা উল্লেখ ছিল। যদিও এটি ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হতে পারে তবে এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই।”তবে কুদানই প্রথম কেউ নন যিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিতর্কের জন্ম দিলেন। গত বছর বার্লিনভিত্তিক ফটোগ্রাফার বরিস এলডাগসেন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিয়েটিভ ফটো বিভাগে জয়ী হয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে তার কাছ থেকে সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।তিনজন লেখক এর আগে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন।

post
আন্তর্জাতিক

গণতন্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাজ্য বাংলা‌দেশের সাথে থাকবে

মানবাধিকার, নির্বাচন ও গণতন্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাজ্য বাংলা‌দেশ সরকার ও রাজনৈতিক দলগু‌লোর সঙ্গে কাজ করবে বলে জানালেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষা‌ৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান কুক। এ সময় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান পরিবর্তন না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার। এছাড়া দুই দেশের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে বাণিজ্য-বি‌নিয়োগ, অংশীদা‌রিত্ব, জলবায়ু সংকট,অ‌ভিবাসন এবং রো‌হিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনার কথাও জানান। বৈঠক বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্যে যারা অবৈধ তাদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া তারেক রহমানের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত আসামি তার উপযুক্ত শাস্তি সরকার দেবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.