বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা ফাইনাল! এমনটাই বারবার বলছিলেন ধারাভাষ্যকার। সত্যিই তাই। এমন প্রতিযোগিতপূর্ণ বিশ্বকাপ কমই হয়েছে। যার মধ্য দিয়ে শেষ হাসিটি হাসলো আর্জেন্টিনা। মেসির আর্জেন্টিনা। সারাবিশ্বের শতকোটি ভক্তকুলের প্রিয় আর্জেন্টিনা।
জয় পরাজয় সেতো নির্ধারিত হবেই। কিন্তু একটি ফাইনাল ম্যাচ যা দেখার জন্য সকল ফুটবলপ্রেমী অধীর আগ্রহে বসে থাকেন তারা এমন ফুটবলই দেখতে চান।
তবে সরাসরি যারা আর্জেন্টিনার ফুটবলের ভক্ত নন, তাদের মধ্যেও অনেকে রয়েছেন যারা লিওনেল মেসির ভক্ত। যারা ফুটবলে মেসি ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায় থাকেন। আজও ছিলেন। এবং মেসি তাদের নিরাস করেন নি।
লিওনেল মেসির হাতে বিশ্বকাপ যাবে, সেটা কি ভাগ্যলিখন। না! নিজ দক্ষতায় তিনি সেটা অর্জন করেছেন। এই যে স্বর্ণে গড়া বিশ্বকাপে চুমু খেলেন মেসি, সেটা তিনি অর্জন করেই নিলেন।
শেষ ম্যাচে, ফুটবলের যে মঞ্চ রচিত হয়েছিলো তাতে পট পরিবর্তন হচ্ছিলো বার বার। শুরু দিকে একক আধিপত্যে মঞ্চ মাতিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালকে নিজের করে নিয়েছিলো বটে কিন্তু এমবাপেদের ফিরে আসাটা ছিলো দারুণ উপভোগ্য।
মেসির জোড়া গোল, এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক, ডি মারিয়ার গোল মিলিয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ৩-৩ সমতা।
তবে খেলা বার বার তার গতি পেয়েছে একেকটি পেনাল্টি কিকের মধ্য দিয়ে। শেষ পর্যন্ত সেই পেনাল্টি শুটআউটেই গড়ালো ম্যাচ আর ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ হাসিটি হাসলো আর্জেন্টিনা। টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবার আর্জেন্টিনা।
৩৬ বছর পর জুলেরিমে কাপটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ মিললো ফুটবলের এই পরাশক্তির।
