গত চারদিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া এবং মেরিল্যান্ডের আবহাওয়া ছিলো রোদ্রজ্জল। শুক্রবারের আকাশ ছিলো চোখে পড়ার মতো নীল আর ঝকঝকে। কিন্তু কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে প্রকৃতির চেহারা একেবারে পাল্টে গেলো। শনিবার বরফে ঢেকে গেছে ওয়াশিংটন ও উত্তর ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ড। যানবাহন আটকে আছে রাস্তায়।
ঝড়ো বাতাসসহ সাথে তুষার ঝড়ের আবহাওয়ার পূর্ভাবাস ছিলো আগে থেকেই। সে পূর্বাভাস পুরোপুরি মিলে গেছে।
জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তুষার পাত আর সাথে দমকা বাতাসে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া তুষার ঝড় চলে দুপুর পর্যন্ত। প্রবল তুষারপাত সাথে প্রচন্ড বাতাস।
চার ইঞ্চি পরিমান বরফে ঢেকে গেছে সব কিছু। চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠায় রাস্তায় কমে আসে গাড়ির সংখ্যা। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হননি লোকজন। দুর্ঘটনা এড়াতে রাস্তায় বের হতে নিষেধ করে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ নানা বার্তা দেয় টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইল ম্যাসেজে। পরিস্কার রাখতে বলা হয়েছে রাস্তাঘাট। এ পরিস্তিতির ফলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনটা ঘরে বসেই কাটাতে হয়েছে সবাইকে।
এরই মধ্যে ডিসি, উত্তর ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ডের বেশ কিছু এলাকার প্রায় তিন হাজার ঘর বাড়ীতে বিদুৎ সংযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। সমস্যা সমাধানে জরুরী সেবায় এরই মধ্যে কাজে নেমে পড়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা।
ঘরির কাটায় বেলা তিনটায় সময় র্সূযের দেখা মিললেও তাপমাত্রা মাইনাস থ্রি। অনুভূতিতে যা মাইনাস নাইন।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে তুষাপাত থেমে গেলেও বাতাস চলতে থাকবে রাত ১টা পর্যন্ত। যে কারণে তাপমাত্রা নেমে আসবে আরো নীচে। এ সপ্তাহে তাপমাত্রায় খূব একটা পরিবর্তন হবে না বলছে আবহাওয়া বার্তা। তবে আসছে সপ্তাহ থেকে আকাশ আবার রোদ ছড়াবে বলা হচ্ছে।
তুষার পাতের এই প্রভাব থাকবে সপ্তাহব্যাপী। জমাট স্নো ক্রমে রুপ নিবে বরফে। তা কাটতে কাটতে এ সপ্তাহ লেগেে যাবে। জন সাধারণকে, ততোদিন সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
