গাজা ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের হামলার পর গত ৩ দিনে ইসরায়েল ও গাজায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। নিহতদের মধ্যে ৮ শতাধিক ইসরায়েলের এবং ৫৬০ জন ফিলিস্তিনের। এ প্রসঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকম প্রতিক্রিয়ার দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের অনুযায়ী, এই হামলা ও প্রতিহামলায় ইসরায়েলের নাগরিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের লোকজন নিহত হয়েছেন। দৈনিক খালিজ টাইমস প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১০টি দেশের নাগরিক হত্যা ও অপহরণের শিকার হয়েছেন।
এই দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, মেক্সিকো, ব্রাজিল, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং ইউক্রেন। যুদ্ধে নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন যুক্তরাষ্ট্র ও ১২ জন থাই নাগরিক। এর পাশাপাশি, ১১ জন থাই নাগরিক অপহরণের শিকার হয়েছেন।
গত শনিবার ভোররাতে গাজা ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস কর্তৃক ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় রকেট হামলা চালানো হয়। এই রকেট হামলার জেরে নানা বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে।
এই সংঘাতে হামাসের কয়েকজন যোদ্ধা মোটরচালিত গ্লাইডার ও হ্যাং গ্লাইডার ব্যবহার করে ইসরায়েলে প্রবেশ করে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ এবং হামাসের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সূর্যের আলো পুরোপুরি ফোটার আগেই ৩ হাজারেরও বেশি রকেট ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। এদের লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমাণ্ড ও অন্যান্য কার্যালয়।
ইসরায়েল ও গাজা ভূখণ্ডের মধ্যে এই নতুন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর বড় ধরণের প্রভাব এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধের অব্যাহতি পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বে বড় রকম নেতিবাচক প্রভাব পরবে বলে বিশ্লেষকরা আশংকা করছেন।
