চতুর্থ দফা সময় বাড়িয়েও হজ্বের নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে পারে নি বাংলাদেশ। তাই ৪৪ হাজারেরও বেশি কোটা খালি রেখেই শেষ হলো এবারের হজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া।
এদিকে যারা নিবন্ধন করেছেন, তাদেরও মক্কার দেশটিতে ভোগান্তিতে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, দেরিতে হজ প্রক্রিয়া শেষ করার কারণে সৌদিতে অবহেলিত থাকেন বাংলাদেশি হাজিরা। এবারের হজ্বে অংশ নিবেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্তত ২০ লাখ মুসল্লী। এদিকে হজ এজেন্সিসহ সরকারি কিছু সংস্থার কারণে এ কার্যক্রম বিলম্ব হওয়ারও অভিযোগ বরাবরই। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহবান সৌদি প্রবাসী সংবাদকর্মীরা।
এদিকে মরুর দেশটিতে হাজিদের সচেতন থাকার আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সেই সাথে জনসচেনতা বৃদ্ধির জন্যে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিও আহবান সংশ্লিষ্টদের।
