post
দূতাবাস খবর

বাংলাদেশ ইস্যুতে পশ্চিমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা না

বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে না রাশিয়া। পশ্চিমারা কী করছে বা কী করতে পারে মস্কো কেবল তা তুলে ধরছে।মঙ্গলবার ঢাকার রাশিয়া দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার মান্টিটস্কি।বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো বিপ্লব বা অভ্যুত্থান হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভার সম্প্রতি দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সালে তৎকালীন সোভিয়েত নৌ-বাহিনীর সদস্যরা চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে মাইন অপসারণে সহায়তা করেছিল। সেটা তুলে ধরতেই আমরা এখানে সংবাদ সম্মেলন করছি। তারপরও আপনাদের প্রশ্নের উত্তরে বলতে চাই— বাংলাদেশকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে নামেনি রাশিয়া। তবে, তারা  কী করেছে, আর কী করতে পারে; সেটা আমরা তুলে ধরেছি।গত ১৫ ডিসেম্বর ‘বাংলাদেশ’ বিষয়ে এক বিবৃতি দেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। সেই বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে ভোটের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সন্তোষজনক মনে না হলে ‘আরব বসন্তের’ মতো করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হতে পারে।বিবৃতিতে বাংলাদেশে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সঙ্গে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের সরাসরি সম্পর্কের কথা বলেন রুশ মুখপাত্র।রুশ মুখপাত্রের বিবৃতির দুই দিন পর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে মোমেন বাংলাদেশে আরব বসন্তের সম্ভাবনা নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, রাশিয়া কী বলেছে, এটা আমাদের ইস্যু নয়। অনেকে অনেক ধরনের কথা বলবে, আমরা এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে, আমার মনে হয় না বাংলাদেশে আরব বসন্তের কোনো সম্ভাবনা আছে।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে মাইন অপসারণে সহায়তা করেছিল রাশিয়ার নৌ-বাহিনী। সে সময়ের রাশিয়ার নৌ-বাহিনীর দুই সদস্য বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশে এসেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেন।রাশিয়ার নৌ-বাহিনীর সাবেক সদস্য ভিটালি গুবেনকো চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে মাইন অপসারণের স্মৃতিচারণ করে বলেন, মাইন অপসারণের জন্য  ১৯৭২ সালে আমি চট্টগ্রাম আসি। সে সময় কাজটি খুব কঠিন ছিল। দুই বছরের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় মাইন অপসারণ করা হয়। পরে বন্দর দিয়ে জাহাজ চলাচল শুরু হয়। তখন স্থানীয় জনগণ খুব সহযোগিতা করেছিল।বর্তমান বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৫০ বছর পর এসে নতুন এক বাংলাদেশ দেখছি। এখানে অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এটা দেখে খুব আনন্দ হচ্ছে।

post
সংবাদ

মুক্তি পেলেন ইভ্যালির সিইও রাসেল

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা-সিইও মো. রাসেল মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জেলার মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সোমবার বিকেলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি আরও জানান, মো. রাসেল একাধিক মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন। সব মামলার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল সোমবার বিকেলে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় ইভ্যালির মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।এদিকে, ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টের কোম্পানি আদালতে আবেদন করেন ইভ্যালির গ্রাহক ফরহাদ হোসেন। এতে ইভ্যালি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠনেরও আবেদন জানান। ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।গত বছরের ২১ এপ্রিল চেক প্রতারণার নয় মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রাসেলকে জামিন দেন আদালত। ওই দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পান তিনি। তবে, তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় কারামুক্ত হতে পারেননি রাসেল।তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন বর্তমানে জামিনে আছেন। হাইকোর্টের নির্দেশনায় বর্তমানে তিনি ইভ্যালির দায়িত্বে আছেন। এর আগে তিনি ইভ্যালির চেয়ারম্যান ছিলেন।২০২১ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সম্পদ ও দায়ের হিসাব দাখিল করে ইভ্যালি। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ইভ্যালির মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক কোটি টাকা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল কোম্পানিকে দিয়েছেন। বাকি ৫৪৩ কোটি টাকাই কোম্পানিটির চলতি দায়।ইভ্যালির হিসাব অনুযায়ী, দায়ের বিপরীতে এর চলতি সম্পদ রয়েছে ৯০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর সম্পত্তি, স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি মিলিয়ে রয়েছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট ১০৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার এ দুটির যোগফলকে দেখানো হচ্ছে স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে। মোট দায় ৫৪৩ কোটি টাকা থেকে এ অঙ্ক বাদ দিলে বাকি থাকে ৪৩৮ কোটি টাকা। যাকে ইভ্যালি বলছে তার অস্থাবর সম্পত্তি। বিবরণী মেলাতে ইভ্যালি দেখিয়েছে অস্থাবর সম্পত্তি ৪৩৮ কোটি টাকার মধ্যে ৪২৩ কোটি টাকা হচ্ছে ইভ্যালির ব্র্যান্ড মূল্য, আর ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা হচ্ছে অদৃশ্যমান সম্পত্তি। কোম্পানিটি নিজের ব্র্যান্ড মূল্য নিজেই নির্ধারণ করে।আদালতের নির্দেশে ইভ্যালির ওপর একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ। সেখানে বলা হয়, রাসেল ও শামীমা ইভ্যালির ব্যবসা সম্প্রসারণ করলেও তাদের ততটা মেধা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছিল না। গ্রাহকদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ইভ্যালি ব্যবসা করেছে। স্বল্পসংখ্যক গ্রাহককে পণ্য দিলেও বিপুলসংখ্যককে তা দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

post
সংবাদ

সাংবাদিকদের উপর হামলা হলে সাত বছরের জেল

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব:আহসান হাবিব খান বলেছেন, একজন ভোটার নির্বিঘ্নে নির্ভয়ে বাড়ি থেকে ভোটকেন্দ্রে যাবে এবং ভোট প্রদান করবে—সেই পরিবেশ সৃষ্টি করার দায়িত্ব আমাদের। যেখানে ঝামেলা আছে সেখানে সমাধান করা হবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী কাজ করবে, টহল দেবে। অংশগ্রহণমূলক, অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠটা দিয়ে চেষ্টা করছি। আমাদের সাফল্য অনিবার্য। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক এহতেশাম রেজার সভাপতিত্বে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রিগেডিয়ার আহসান হাবিব। পরে সাংবাদিকদের এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, নতুন আইন করা হয়েছে, সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেউ ভাঙচুর করলে দুই থেকে সাত বছরের জেল হবে। সাংবাদিকদের কার্যবান্ধব এবং সহযোগী হিসেবে রাখার জন্য সব সুযোগ রয়েছে। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। যখন ভোট গণনা হবে, সেটাও ভিডিও করতে পারবে সাংবাদিকরা। এর চেয়ে বেশি স্বচ্ছতা কী হতে পারে। সাংবাদিক হিসেবে আপনারা সঠিক জিনিসটা প্রকাশ করবেন। এতে নির্বাচন কর্মকর্তারা সচেতন ও সতর্ক হবে।আহসান হাবিব খান আরও বলেন, সব প্রার্থীই আমাদের কাছে সমান। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। কেউ ঝামেলা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অসদাচরণের জন্য প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অনিয়ম করলে ছাড় নয়। ভোটকেন্দ্রের বাইরে কেউ ঝামেলা করলে পুলিশ অ্যাকশন নেবে। বিশৃঙ্খলা করার সুযোগ নেই, সেই সুযোগ আমরা দেব না। কোথাও অনিয়ম হলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দায়িত্বরতদের সাসপেন্ড করা হবে, অ্যাকশন নেওয়া হবে। আমাদের কাছে কোনো ছাড় নেই। আমরা জিরো টলারেন্স মন্ত্রে বিশ্বাসী।তিনি জানান, সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মুঠোফোনে ও সরাসরি তার কথা হয়েছে। রাতের আঁধারে কেউ যদি হামলা অগ্নিসংযোগ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

post
বাংলাদেশ

মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী সংঘর্ষে আহত -৭

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের গজারিয়ায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি দোকানে ভাঙচুর করা হয়।আহতরা হলেন নৌকার সমর্থক উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি গ্রামের জাহাঙ্গীর ও ইমন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক পুরান চরচাষি গ্রামের মোখলেস মিয়া, মহিউদ্দিন মোল্লা, মোশারফ হোসেন, নতুন চরচাষি গ্রামের নিজাম উদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন।জানা গেছে, সোমবার বেলা তিনটার দিকে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চরচাষি এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ বিপ্লবের একদল কর্মী-সমর্থক মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় তারা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ লেগে যায়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের সর্মথনকারী গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন মুন্সী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীরকে তারা মারধর করে বহিরাগত মুক্তার, মহিউদ্দিন মোল্লাসহ অনেকে।এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আওয়ামী লীগের নেতা মহিউদ্দিন মোল্লা বলেন, আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ বিপ্লব ভাইয়ের পক্ষে আমরা একসঙ্গে বসে ছিলাম। এ সময় গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকনের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাঁচ কর্মীকে তারা পিটিয়ে গুরতর আহত করে। হামলাকারীরা আমার দোকান ভাঙচুর করে।এ বিষয়ে গজারিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজিব খান বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানার পরপরই আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

post
খেলা

দেশে ফিরেছেন যুব এশিয়া কাপ জয়ীরা

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা দেশে ফিরেছেন। যাদের হাত ধরে প্রথম কোনো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ, সেই একই বয়সীরা এবার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ দিয়েছে। গতকাল ফাইনালে আরব আমিরাতকে তাদের মাটিতেই বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছিল যুব টাইগাররা। এরপর মাহফুজুর রহমান রাব্বির দল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পা রেখেছে।আগেই জানা গিয়েছিল— ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেশে ফিরবেন বাংলাদেশ যুব দলের পুরো কোচিং প্যানেলও। বিমানবন্দরে পা রাখার পর বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যদের সরাসরি নিয়ে যাওয়া হবে মিরপুরে শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অবস্থিত বিসিবির জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এশিয়া কাপজয়ী দলের সদস্যদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বিসিবি। এক বিবৃতিতে তারা এই তথ্য জানিয়েছে।এদিকে, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে ডিনার করারও আমন্ত্রণ পেয়েছে যুব চ্যাম্পিয়নরা। আগামীকাল রাতে তারা সেই আমন্ত্রণে যোগ দেবেন। ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ টিটু। জানিয়েছেন— বোর্ড সভাপতি সবাইকে নিয়ে মঙ্গলবার রাতে ডিনার করবেন।এর আগে এশিয়া কাপের ফাইনালে গতকাল আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২৮২ রানের বড় লক্ষ্য দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ও টুর্নামেন্টসেরা হওয়া আশিকুর রহমান শিবলী এদিনও বড় সংগ্রহের পথে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। জবাবে স্বাগতিকরা মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে যুব টাইগাররা প্রথম এশিয়া কাপ শিরোপার আনন্দে মাতে ১৯৫ রানের বড় ব্যবধানে জিতে।এবার অবশ্য পুরো আসরেই বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতোই। গ্রুপপর্বে জাপান, আরব আমিরাতের পর শক্ত প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কাকেও মাটিতে নামিয়ে এনেছিল জুনিয়র টাইগাররা। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল আসরের সর্বোচ্চ ফেভারিট দল ভারত। কিন্তু ম্যান ইন ব্লুদের বিপক্ষেও বাংলাদেশ অনায়াসী জয় পায়। অপর সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে অঘটনের জন্ম দেয় স্বাগতিক আরব আমিরাতও। ফাইনালে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েও হালকাভাবে নেয়নি তরুণ ক্রিকেটাররা। নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েই শিবলী-রাব্বিরা জয় ছিনিয়ে আনেন।

post
বাংলাদেশ

১৩ দিনের জন্য মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৩ দিনের জন্য ভোটের মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী। সোমবার ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে ইসি জানায়, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করার নিমিত্তে নির্বাচন কমিশন সম্ভব সকল আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার নিমিত্ত ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের আওতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখ হতে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন পূর্ব থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্তে প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের একটি করে অগ্রবর্তী টিম পাঠানো যেতে পারে।ইসি জানায়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনে বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত ইন্সট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের ৭ম ও ১০ম অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হবে। মোতায়েনকৃত সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনী কাজে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের পরামর্শে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় (ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে; (খ) রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণকে মোতায়েন করা হবে, (গ) সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে; (ঘ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হবে; (ঙ) ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা অবহিত করতে হবে; (চ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এর অনুরোধক্রমে চাহিদামত আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রমে সহায়তা করতে হবে।এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো। রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেনা মোতায়েনে ইসির আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য সেনাবাহিনী ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।

post
শিক্ষা

১ জানুয়ারিতেই হবে বই উৎসব

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের কারণে চলতি বছর বই উৎসব হবে কি না তা নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা ছিল। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ থেকে না হওয়ার সম্ভাবনার কথাই বলা হচ্ছিল।তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড  সূত্রে জানা গেছে, এবারও বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারিতেই বই উৎসব হবে। এজন্য দুটি পৃথক স্থানও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিকের বই উৎসব হবে রাজধানীর মিরপুরে। আর মাধ্যমিকের বই উৎসব হবে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আগামী ১ জানুয়ারি সকাল ১০টায় এ উৎসব শুরু হবে। দুটি স্থান থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলেও দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৃথকভাবে বই উৎসব করা হবে।জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম জানান, প্রতিবারের মতো এবারও বছরের প্রথম দিন বই উৎসব হবে। এবার মাধ্যমিকের বই উৎসব কুমিল্লার লালমাই উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজন করা হবে। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।বই ছাপানোর অগ্রগতির বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকের সব বই গত ৪ ডিসেম্বর উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। নতুন শিক্ষাক্রমের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির প্রায় সব বইও উপজেলায় পৌঁছে গেছে। অষ্টম ও নবম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান অনুশীলন বই আজই প্রেসে যাবে।এদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহমেদ জানান, প্রাথমিকের বই উৎসব এবার মিরপুরের ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পাশেই স্কুলটি অবস্থিত।পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী সংখ্যা ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৭ হাজার ৬৩০ জন। তাদের জন্য বই ছাপা হচ্ছে মোট ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি। প্রথম, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপানো হয়েছে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩ হাজার ৪২৩ কপি বই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বই সংখ্যা ৩ কোটি ৩৬ লাখ ১ হাজার ২৭৪টি। প্রাক-প্রাথমিকের জন্য ৬১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৮ কপি বই ছাপা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৮ কপি, সপ্তম শ্রেণির চার কোটি ৪৫ লাখ ৫৭ হাজার কপি, অষ্টম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৭১ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৩ কপি বই ছাপা হচ্ছে।অন্যদিকে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের জন্য এবার মোট দুই লাখ পাঁচ হাজার ৩১ কপি বই ছাপা হচ্ছে। অন্য বইয়ের মধ্যে পাঁচ হাজার ৭৫২ কপি ব্রেইল বই ছাপা হবে। তাছাড়া শিক্ষকদের ৪০ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৮টি শিক্ষক সহায়িকা দেওয়া হবে।

post
সংবাদ

টিআইবি কোনো দলের নয় নির্বাচনের পক্ষে

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি কোনো দলের নয়, টিআইবি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। রোববার এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘টিআইবি বিএনপির অঙ্গসংগঠন কি-না প্রশ্ন তুলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য একদিকে বিব্রতকর ও অন্যদিকে সমালোচক মাত্রই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এমন মানসিকতার প্রতিফলন।’বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় তফসিল ঘোষণা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রেক্ষিত বিবেচনায় আসন্ন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না- টিআইবির এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রাখেন, ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে কী বোঝায়?’টিআইবিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের এমন প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনকালীন সরকার, প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত ভূমিকার ওপর নির্ভর করে সব নির্বাচনপ্রত্যাশী রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিত করেই কেবল অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা সম্ভব। মন্ত্রীর তা বোঝার মতো বিচক্ষণতা রয়েছে বলেই টিআইবি মনে করে।’‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সম্ভাবনা বিনষ্ট হওয়ার কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করায় বিএনপির সঙ্গে টিআইবিকে জড়িয়ে, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া এ বক্তব্য অনভিপ্রেত। টিআইবি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এবং কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করে না।সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রী ও দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তির এমন বক্তব্য পুরোপুরি অমূলক ও হতাশাজনক।তবে টিআইবি এতে মোটেই অবাক বা বিচলিত নয় মন্তব্য করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সুশাসিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার উপযুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণে কর্মরত টিআইবির ওপর এ ধরনের অপবাদ দেওয়ার চর্চা নতুন কিছু নয়। কোনো গবেষণালব্ধ প্রতিবেদন বা পরামর্শ অপছন্দ হলেই আওয়ামী লীগ-বিএনপি প্রধান দুই রাজনৈতিক দলই টিআইবির প্রতি বিষোদগারে লিপ্ত হয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় সরকারের সময় টিআইবিকে বন্ধ করে দেওয়া, সারাদেশের ৬৪ জেলায় মামলা করার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়। এমনকি চলতি বছরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির পক্ষ থেকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, টিআইবি ও সংস্থাটির কর্মকর্তাদের নিয়ে বিদ্বেষমূলক অপপ্রচার চালানো হয়।ড. জামান আরও বলেন, টিআইবির কোনো মন্তব্য কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই। টিআইবির অবস্থান গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে, অগণতান্ত্রিক ও সুশাসনকে বাধাগ্রস্ত করে এমন শক্তির বিপক্ষে। তবে একই সঙ্গে লক্ষ্যণীয়, টিআইবিকে নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের অবস্থান ও পরিস্থিতি ভেদে এমন বিষোদগার টিআইবির নিরপেক্ষতাকেই প্রমাণ করে।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত

ওয়াশিংটন ডিসি, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের হাতে নির্মমভাবে নিহত এ মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক বঙ্গবন্ধু কর্নারে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কনস্যুলার) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) মোঃ রাশেদুজ্জামান। এরপরে দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞকে মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন এবং এই দিনটি আরো বৃহৎ পরিসরে পালনের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন, এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ছিল জাতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান । আলোচনায় অংশ নিয়ে মিনিস্টার (প্রেস) এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন ১৪ ডিসেম্বরকে বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক দিন হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা এই দিনে দেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিল। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি এড়াতে কিছু যুদ্ধাপরাধী বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করতে অবিলম্বে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। শহিদ বুদ্ধিজীবী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়। কর্মসূচি পরিচালনা করেন কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

ভারতের নিমস ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের আমেরিকান ডিগ্রীর স্বপ্ন পূরণ করবে ডব্লিউইউএসটি

উচ্চমান সম্পন্ন শিক্ষা, গবেষণা উন্নয়ন, সহযোগীতা ও অন্যান্য শিক্ষাবিনিময় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও ভারতের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি নিমস ইউনিভার্সিটির মাঝে একটি দীর্ঘ মেয়াদী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। ৪ ডিসেম্বর সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ডব্লিউইউএসটির লিসবার্গ পাইক ক্যাম্পাসের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয় এই কার্যক্রম। এই সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করেন ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এবং নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. বলবীর এস. তুমার। ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চ শিক্ষা এবং শিক্ষাগত গবেষণার উন্নয়নের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগীতায় এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘস্থায়ীভাবে এক সাথে কাজ করার লক্ষ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিমস ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস রাজস্থানের জয়পুরে। বেসরকারী মেডিকেল নির্ভর ইউনিভার্সিটির মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে এটি সারা ভারতের মধ্যে অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয়। ডব্লিউইউএসটিতে পরিচালিত চলমান প্রোগ্ররামগুলোর সিলেবাস অনুসরণ করে পড়ানো হবে নিমস ইউনিভার্সিটিতে। আর সেই প্রোগ্রামের ছাত্রছাত্রীরা তাদের ডিগ্রীর অর্ধেক বা একাংশ সম্পূর্ণ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে এসে। এটি ছিলো এই এমওইউর অন্যতম বিষয়। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার উদ্দেশ্যে ডব্লিউইএসটির ক্যাম্পাসে আসেন নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. বলবীর এস তুমার ও প্রফেসর ড. নিপাক নাথিয়া। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ডব্লিউইউএসটির শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। শুরুতে নিমস ইউনিভার্সিটির সার্বিক চিত্র প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন প্রফেসর ড. নিপাক নাথিয়া। আর ডব্লিউইউএসটির পক্ষ থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন, ভিশন ও বৈশিষ্ট্যসূমহ পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে অতিথীদের সামনে উপস্থাপন করেন স্টুডেন্ট সাকসেস এন্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপস্থাপন পর্ব শেষে চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় বলেন, " নিমস ইউনিভার্সিটি সার্বিক বিবেচনায় সফলতার এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে এটি অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনুসরণীয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে ডব্লিউইউএসটির মাধ্যমে শিক্ষা সেবা পৌঁছে দিতে পারাটা হবে আনন্দের ও গর্বের।" তিনি আমন্ত্রিত অতিথীদের সামনে ডব্লিউইউএসটির কথা বলতে গিয়ে বলেন, "দু বছর আগে মাত্র ২৮২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয়েছিলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন করে পথচলা। অল্প সময়ের ব্যবধানে বর্তমানে বিশ্বের একশোর বেশি দেশের ১৭'শো ছাত্রছাত্রী এখানে পড়শোনা করছে।" তিনি আরও জানান," আসছে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে নিজস্ব নতুন ক্যাম্পাসে ক্লাস ও সকল কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে ডব্লিউইউএসটির। চলছে নার্সিং ও ডাটা সাইন্সের মত নতুন প্রোগ্রাম শুরু করার প্রক্রিয়া। সুতরাং নিমসের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আইটির স্টুডেন্টরাও এখানে এসে তাদের আমেরিকান উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।" আবুবকর হানিপ যোগ করেন, "ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে পিপলএনটেকের মত ইন্টারন্যাশনাল লেভেলের সফট স্কিল প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ হাজার ডলারের যে কোন একটি কোর্স বিনামূল্যে করতে পারছে। বিগত দেড় যুগে পিপলএনটেক থেকে সার্টিফিকেশন কোর্স করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আইটি কোম্পানীতে দশ হাজার মানুষ সফল আইটি ক্যারিয়ার গড়েছে, দেড় থেকে দুই লাখ ইউএস ডলারে সেলারি পাচ্ছে তাদের অনেকে। সুতরাং নিমসের শিক্ষার্থীরাও এই পিপলএনটেক থেকে যে কোন একটি আইটি কোর্স বিনা খরচ করতে পারবে বলে জানান, আবুবকর হানিপ।" নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যন্সেলর ড. বলবীর এস তুমার বক্তব্য দিতে এসে বলেন, "ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ যেমন একজন অসাধারণ মানুষ তেমনি একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার, তার নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি দারুণ গতিতে এগিয়ে চলছে। যে স্বপ্ন আর পরিকল্পনা নিয়ে তিনি এগিয়ে চলছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে ডব্লিউইউএসটি আমেরিকার মেইন স্ট্রিমের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় জায়গা করে নিবে। ড. বলবীর আরও বলেন, "ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও অদূর ভবিষ্যতে ২০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।" ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক নিমস বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ আকারের শিক্ষা কার্যক্রম ও সফলতার প্রশংসা করেন এবং তাদের এই কার্যক্রমের সাথে তার বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত করার জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রেসিডেন্ট ড. কারাবার্ক তার বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ত্রিপল এ' মিশন অর্থাৎ অ্যক্রিডিয়েটেড, অ্যাফোরডেবল ও অ্যাক্সেসেবল বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরেন। নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ও তার প্রতিনিধি দলকে ডব্লিউইউএসটিতে স্বাগতম জানিয়ে ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকর্মকর্তা ফারহানা হানিপ বলেন, "নিমসের মতো ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এক হয়ে কাজ করা হবে সত্যিই গর্বের।" তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন দুই চ্যান্সেলর। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পক্ষ থেকে সুভিনির তুলে দেয়া হয় অতিথীদের হাতে। গ্রুপ ফটোসেশনে অংশ নেন সকলে। অনুষ্ঠানে যোগ দেবার আগে লিসবার্গ পাইকের ক্যম্পাস ঘুরে ফিরে দেখেন চ্যান্সেলর ড. বলবীর এস. তুমার। সেখানে থেকে চলে যান ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির আলেকজেন্দ্রিয়ার নতুন ক্যম্পাসে। ক্যাম্পাসের বিস্তৃতি এবং ক্যাম্পাস জুড়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বাধুনিক ক্লাসরুম, ল্যাব, লাইব্রেরী, ক্যাফেটেরিয়া, গেমিং জোন, অডিটোরিয়ামসহ সব কিছু ঘুরে ফিরে দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রফেসর ড. বলবীর। তিনি বলেন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য একেবারে সঠিক ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে। একাডেমিক কারিকুলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি, মিশন ও ভিশন আর সর্বপরি চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এবং প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কে মতো নেতৃত্বের হাতে পরিচালিত কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে শিক্ষার্থীরা সেরাটাই পাবে বলে মন্তব্য করেন নিমস বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ড. বলবীর। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকান উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও ব্যবসায়িক প্রশাসনের উপর ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের সতেরশো শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। অন্যদিকে ভারতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী নিমস ইউনিভার্সিটিতে মেডিকেলের প্রোগামের পাশাপাশি রয়েছে প্রায় সবরকম নন-মেডিকেল সাবজেক্ট। ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার ‌ফ্যাকাল্টি মেম্বার। চারশো একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একশোর বেশি প্রোগ্রামের অধীনে সাড়ে চারশো কোর্স চালু রয়েছে। মেডিকেল সায়েন্সের সকল সাবজেক্টের পাশাপাশি আইন, ব্যবসায়িক প্রশাসন, লিবারেল আর্টস থেকে শুরু করে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল সাবজেক্টের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সের মতো বিষয়। আর এখন ডব্লিউইউএসটির সাথে এই সমঝোতার স্মারকের ফলে খুলে গেলো হাজারো শিক্ষার্থীর আমেরিকান ডিগ্রীর স্বপ্নের দোঁয়ার।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.