আন্তর্জাতিক

চীনে হুহু করে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

post-img

চীনে হুহু করে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। কাউকে দেশটিতে না ঢোকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ‘যদি এই মুহূর্তে চীনের বাইরে থাকেন, তাহলে ফিরে আসবেন না’—এমনই আহ্বান জানিয়েছেন চীনের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক ব্যবহারকারী।

সম্প্রতি চীনে ফিরে কয়েক দিনের মধ্যেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এই ব্যক্তি। এবং জানিয়েছেন চেনা-পরিচিত সবার করোনা হচ্ছে এবং শরীরে জ্বর।

বিধি নিষেধ না মানার কারণেই পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে বলে মত অনেকের। খবরে বলা হয়েছে, করোনা রুখতে চীন সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন দেশটির বাসিন্দারা। এরপর চলতি বছরের শুরুতে অনেক বিধিনিষেধ তুলেও নেওয়া হয়। এতে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ।

পরিস্থিতি এখন এতটাই খারাপ যে দেশটির হাসপাতালগুলো রোগীর চাপ সামলাতে পারছে না।

শুধু করোনার ধাক্কাই নয়। বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর নতুন একটি ঘোষণা দেয় ঝেজিয়াং ও আনহুই প্রদেশ এবং চংকিং শহর কর্তৃপক্ষ। ঘোষণা অনুযায়ী, কারও শরীরে যদি করোনার অল্প উপসর্গ থাকে কিংবা কোনো উপসর্গ না থাকে, তাকে কাজে যেতে হবে।

গত সোমবার থেকে এই ঘোষণা সংশ্লিষ্ট হ্যাশট্যাগ চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবোতে ৩ কোটি ৩০ লাখ বারের বেশি ব্যবহার করা হয়েছে।

ওই হ্যাশট্যাগ ব্যবহারকারীদের বেশির ভাগই আতঙ্ক ও ভয়ের কথা প্রকাশ করেছেন। যেমন উইবোতে একজন লিখেছেন, ‘গত তিন বছরে আমাদের অফিসে যাওয়ার কোনো প্রস্তুতি ছিল না। হঠাৎ করে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলো, আর বলা হলো, আপনি অসুস্থ হয়েও কাজে যেতে পারবেন। পিঁপড়ার মতোই আমাদের জীবনেরও যেন কোনো মূল্য নেই।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মাত্র কয়েক মাস আগেও লোকজন করোনা পজিটিভ হয়ে কাজে গেলে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হতো।’

শরীরে করোনা নিয়ে চীনারা কীভাবে দিন পার করছেন, গত দুই সপ্তাহে এমন সব ভিডিওতে ছেয়ে গেছে দেশটির ইন্টারনেটে। চীনের গণমাধ্যমের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তরুণ-তরুণীরা তাঁদের অসুস্থ বাবা-মায়ের জন্য খাবার ও পানি নিয়ে যাচ্ছেন। একই বাড়ির মধ্যে থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনেককে দেখা গেছে ভিন্ন সব কৌশল বেছে নিতে। অনেকেই আবার ব্যথানাশক ওষুধ কিনে তা পৌঁছে দিচ্ছেন অসুস্থ মানুষের কাছে।

সম্পর্কিত খবর

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.