দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে পাবনার ঈশ্বরদীতে, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কাজ এগিয়েছে চলেছে। উৎপাদন শুরু হলেই দেশের চাহিদা পুরণের পর, বিদেশেও বিদ্যুৎ রপ্তানী করা সম্ভব হবে। একই সাথে এই অঞ্চলে আরও শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে,সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের। এই প্রকল্পের শুরু থেকেই আশপাশের এলাকায়, অর্থনীতির উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষের জীবন যাত্রাও উন্নত হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
দেশের ইতিহাসে টাকার অংকে সবচেয়ে বড় প্রকল্পের নাম রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দীর্ঘ চেষ্টার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাশিয়ান সরকারের সহযোগিতায়, ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঈশ্বরদীতে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর,রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১নম্বর ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অঅশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে বিদেশীদের আগমন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রা সমৃদ্ধ হচ্ছে।রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি আওয়ামী লীগ সরকারের অনন্য এক উদাহরণ। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে নতুনহাট এলাকায় নির্মাণ করা হয় আধুনিক মানের ভবন। গ্রীণসীটি ভবন ও রাশিয়ানদের চলাচলে নতুনহাট এলাকাকে মনে হয়, এক টুকরো রাশিয়া।
