post
টেক মেন্টর

২৪ মে শুরু হচ্ছে পিপলএনটেকের নতুন কোর্স, ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

সফট লার্নিংয়ের মাধ্যমে আইটি খাতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরি হতে পিপলএনটেক-কেই বেছে নেন অনেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক ব্যাচকে প্রশিক্ষিত করে চলেছে। ২০০৫ সাল থেকে পরিচালিত হয়ে আসে পিপলএনটেক আইটি জগতে পা ফেলা মানুষের কাছে একটি আস্থার নাম। তারই ধারাবাহিকতায় এই গ্রীস্মে শুরু হচ্ছে নতুন ব্যাচের প্রশিক্ষণ। যার ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো গত বুধবার (১৮ মে)। আর ২৪ মে থেকে শুরু হচ্ছে চারমাসের এই কোর্স।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক কেন্দ্র থেকে শুরু হচ্ছে এই কোর্স। অনলাইনে অংশ নিতে পারছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে।  সেলেনিয়াম'র মাধ্যমে সফটওয়্যার টেস্টিং এর দক্ষতা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে এবারের কোর্সে। কোর্সের ওরিয়েন্টেশনে সেসব কথাই জানালেন পিপলএনটেক কর্তৃপক্ষ।  তিন ঘণ্টাব্যাপী এই ওরিয়েন্টেশনে সার্বক্ষণিক থেকে নতুন প্রশিক্ষণার্থীদের নানাবিধ পরামর্শ ও উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখেন পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, পিপলএনটেক শুধু একটি ইনস্টটিটিউট নয় একটি পরিবার। যেখান থেকে শুরু হয় জীবনের নতুন গল্প। নিউইয়র্ক কার্যালয় থেকে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এই ইনস্টটিটিউট গত সতেরো বছর ধরে কিভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর বাইরে বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে সেসব উদাহরণ তুলে ধরেন আবুবকর হানিপ। পিপলএনটেক শুরু থেকে এখন পযর্ন্ত কেন সবার থেকে আলাদা কিভাবে প্রতিটি শিক্ষার্থী ক্যারিয়ার উন্নয়নে কি ভূমিকা রাখে তা নতুন শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করেন।আবু বকর হানিপ আরও বলেন, কর্মজগতে সক্ষম ও দক্ষ কর্মশক্তি সরবরাহে একটি জনপ্রিয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এই পিপলএনটেক। তথ্য প্রযুক্তির সময়োপযোগী নতুন নতুন বিষয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। পিপলএনটেকের শিক্ষা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যারা ড্রিম জব অ্যাচিভ করেছেনে তাদের বর্তমান অবস্থার কথাও চেয়ারম্যান উপস্থাপন করেন তার আলোচনায়।পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ অংশ নেন ভার্জিনিয়া কার্যালয় থেকে। প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন তিনি। তিনি বলেন, পিপলএনটেক স্রেফ কোনো প্রশিক্ষণ নয়, এটি একটি সেবার নাম। নতুন প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি সর্বোচ্চ একাগ্রতায় কোর্স সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।   ওরিয়েন্টেশনে পিপলএনটেকের সার্বিক অবস্থা মিশন ও ভিশনের উপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন বিজনেস ডেভলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ কোয়াদ্র উইলসন। কোর্সের আওতায় প্রশিক্ষণার্থীরা কোর্স শেষে যাতে তাদের রিজ্যুমি তৈরি করতে পারেন, যা তাদের কাজ পেতে সহায়ক হবে, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতা দেয় পিপলএনটেক। তার জন্য কিভাবে কি করতে হবে পুরো প্রক্রিয়াটি উপস্থাপন করেন পিপলএনটেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল রিক্রুটার আইজা আহমেদ। নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন পিপলএনটেকের ইন্সট্রাক্টর শুভাশীষ দেবনাথ। অরিয়েন্টেশনের এক পর্যায়ে কথা বলেন এখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে সফটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে ড্রিম জব পাওয়া নেপালের মেয়ে শিলা। তিনি কিভাবে পিপলএনটেক তার জীবন বদলে দিয়েছে, আমেরিকান স্বপ্নপূরণে সহায়তা করেছে তা তুলে ধরেন। পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণ পদ্ধতিই হচ্ছে, কর্মস্থলের রেপ্লিকা তৈরি করে সেভাবেই প্রশিক্ষণার্থীদের শেখানো। ফলে এখান থেকে শেখার পর কাউকে আর ফ্রেশার হিসেবে চাকরি নিতে হয় না। সরাসরি দক্ষ কর্মীর চাকরি পেয়ে যান পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণার্থীরা। তবে তার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ১৬ সপ্তাহ টানা কঠোর অনুশীলনের মধ্যে থাকতে হবে, মানতে হবে বেশ কিছু নিয়ম কানুন। সেই নির্দেশনা গুলো অরিয়েন্টেশনে জানান ইনস্ট্রাকট্রর জয়নাল আবেদীন এবং নর্দাইন কেচেলি। ওরিয়েন্টেশনের শেষ ভাগে ছিলো প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব। তাতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন চেয়ারম্যান ও সিইও আবুবকর হানিপ।স্টেট কাউন্সিল অব হায়ার এডুকেশন ফর ভার্জিনিয়া (এসসিএইচইভি) এবং নিউইয়র্কের ব্যুরো অব প্রপ্রাইটারি স্কুল সুপারভিশন-বিপিএসএস দ্বারা অনুমোদিত এই পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেক গত সতের বছর যাবৎ যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফটওয়্যার টেস্টিংয়ের উপর শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবা দিয়ে আসছে। ভার্জিনিয়া ও নিউইয়র্ক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি ও পেনসিলভ্যানিয়াতে রয়েছে পিপলএনটেকের কার্যালয়। এছাড়া ভারতের হরিয়ানায় ও বাংলাদেশের ঢাকায় রয়েছে পিপলএনটেকের কার্যালয়।  

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকের সার্থকতা পিপলকে কাজের উপযোগী করে দক্ষ করানো: আবুবকর হানিপ

২০০৪ সাল থেকে আমেরিকাতে চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের স্কিল ডেভালপমেন্ট নিয়ে কাজ করে আসা প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকের সিইও এবং আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেছেন, আমরা যদি কিছু পিপলকে কাজের উপযোগী করে দক্ষ করতে পারি এবং সেটা যদি ইন্ডাস্টিতে কাজে লাগে সেখানেই আমাদের পিপলএনটেকের সার্থকতা । গতকাল বুধবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকের পলিটেকনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্টের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলোজি আমেরিকা সরকারের একটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান। প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশি আমেরিকার মেইন স্টিমে কাজ করছে পিপলএনটেক থেকে ট্রেনিং নিয়ে। যারা বছরে ৫০ হাজার ডলার আয় করার চিন্তা করেনি কখনো সেখানে তারা আজ ১ থেকে দেড় লক্ষ ডলার ইনকাম করছে। ব্যাচেলর, মাস্টার্স, ডিগ্রি পাশ, পলিটেকনিক থেকে পাশ করে ইমিগ্রেন্ট ভিসায় আমেরিকাতে গিয়েছে অথবা এন্ট্রি লেভেলের জব পাচ্ছিল না। এমনকি তারা আইটিতে পড়াশোনাও করেনি। তাদেরকে আমরা ৪ থেকে ৫ মাসের ট্রেনিং দিয়ে এই অসাধ্যকে সাধন করেছি।এজন্য আমরা অনেক স্বীকৃতি পেয়েছি। স্টেট থেকে লোকাল মেয়রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে। আমরা প্রচুর ইমিগ্রেন্টদেরকে চাকরি দিয়েছি জানিয়ে আবুবকর হানিপ বলেন, যারা আমেরিকাতে গিয়ে বিভিন্ন অড জবে লিপ্ত হয়ে যায় ভাল চাকরির জন্য তাদের আর ট্রেনিং নেওয়ার সময় হয়ে ওঠে না। সে সব ইমিগ্রেন্টদের জন্য ২০১৪ সালে আমরা বাংলাদেশে এমন একটা প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেই। যাতে তারা বাংলাদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে গেলে আমেরিকার বিমানবন্দরে আসার সাথে সাথে ভাল বেতনে আইটিতে চাকরি পায়। কোন অড জব তাদের স্পর্শ করতে না পারে। তিনি বলেন, আমেরিকাতে প্রতি বছর এইচওয়ানবি ক্যাটাগরিতে ৮৫ হাজার স্কিলড পিপলকে নিয়ে যাওয়া হয়। অথচ আমেরিকার সিটিজেন এবং গ্রিনকার্ড হোল্ডার ব্যাচেলর/ মাস্টার্স করা তারাও এন্টি লেভেলের জব খোঁজে। তার মানে এখানে প্রকাশ পাচ্ছে স্কিল গ্যাপের বিষয়টি।সে সব দেখে আমি আমেরিকায় আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির মালিকানা নেই এবং ভাবি এখান থেকেই পিপল ব্যাচেলর মাস্টার্স ডিগ্রির পাশাপাশি স্কিলড হবে সাথে মিড লেভেল বা সিনিয়র লেভেলের জব নেবে। আইজিইউর শিক্ষার্থীদের ব্যাচেলর করার পরে তাদের আর স্কিল এর গ্যাপটা থাকছে না।এতে তারা শিক্ষা খাতে যত অর্থ ব্যয় করল সেটার একটা রিটার্ন তারা পাবে। সেই বিষয়টা মাথায় রেখে আমরা আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি নিয়েছি। এই জন্যই আমরা ঘোষণা দিতে পারছি নো জব, নো টিউশন। যদি তারা চাকরি না পায় তাহলে আমরা ফুল পেমেন্ট রিফান্ড করব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেন। এ সময় সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে, দক্ষতা অর্জন করতে হবে। পিপলএনটেক দক্ষতাকে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের বেকারত্বের যে সমস্যা সে সমস্যা দূর করা সম্ভব একমাত্র দক্ষতা দিয়ে। আমরা জাপান কে সাহায্য করবো, ইউরোপকে সাহায্য করবো। তাদের প্রচুর দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন হয়ে থাকে। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ বলেন, পিপলএনটেকের প্রতিটি ট্রেইনার অত্যন্ত দক্ষ। তোমরা নতুনরা যে কোন প্রয়োজনে শিক্ষকদের সমস্যা সম্পর্কে অবগত করলে তারা সবসময় তোমাদের সাহায্য করবে। আশাকরি পিপলএনটেকের প্রতিটি কোর্স শেষে তোমরা বাস্তব জ্ঞান, দক্ষতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।এ সময় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসরুল খান।

post
টেক মেন্টর

স্কলারশীপসহ তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে IsDB-BISEW

ভবিষ্যৎ পৃথিবী হবে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর। আর সেই প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে বাংলাদেশ সরকার ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইএসডিবি) যৌথ উদ্যোগে ২০০৩ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এক বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে IsDB-BISEW । এই প্রশিক্ষণে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি প্রায় দুই লাখ টাকা সমপরিমান স্কলারশীপ প্রদান করে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলছে IsDB-BISEW । শিক্ষার্থীদেরকে ফ্রি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার উপকরণসমূহ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। ভেন্ডর সার্টিফিকেশন খরচও বহন করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। প্রশিক্ষনার্থীরা সফলভাবে কোর্স সমাপ্ত করে দেশে ও বিদেশে চাকরীরত আছে।IsDB-BISEW সম্প্রতি তাদের এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২১। রুপান্তরিত কোর্স (Conversion Course) এই কার্যক্রমের বেশির ভাগ কোর্সই ঈড়হাবৎংরড়হ কোর্স অর্থাৎ, যে কোন বিভাগ থেকে আইটি প্রফেশনাল হওয়ার সুযোগ। যে কোন বিভাগ (বিজ্ঞান, বাণিজ্য বা মানবিক) থেকে স্নাতকোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা গতানুগতিক ট্রেনিং ছেড়ে সম্ভাবনাময় আইটি ক্ষেত্রে তার জীবন শুরু করতে পারে। যারা আবেদন করতে পারবেযে কোন বিষয়ে ¯ স্নাতক, মাস্টার্স, ফাজিল ও কামিল পাশ প্রার্থীরা এবং মাস্টার্স বা কামিল অধ্যায়নরতরাও স্কলারশীপের জন্য আবেদন করতে পারবে। কম্পিউটার, টেলিকমিউনিকেশন, ইলেকট্রনিক্স, সিভিল, আর্কিটেকচার, সার্ভে ও কন্সট্রাকশন বিষয়ে ডিপ্লোমাধারীরা আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ২ থাকতে হবে। তবে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটারে ¯স্নাতক প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত গ্রহনযোগ্য হবে। কম্পিউটার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা না থাকলেও আবেদন করতে পারবেন। চাকরিজীবিদের আবেদনের সুযোগ নেই। যে সব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যুগের চাহিদার উপর বিবেচনা করে ওংউই-ইওঝঊড স্কলারশীপ প্রকল্পে এখন ১২টি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতিটি ক্লাস ৪ ঘন্টা করে, সপ্তাহে ৬দিন। কোর্সগুলো হলোঃ-  ডেটাবেইস ডিজাইন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট  গ্রাফিক্স এ্যানিমেশন ও ভিডিও এডিটিং  এন্টারপ্রাইজ সিস্টেমস্ এ্যানালাইসিস এ্যান্ড ডিজাইন জেইই  এন্টারপ্রইজ সিস্টেমস্ এ্যানালাইসিস এ্যান্ড ডিজাইন সি#.নেট  নেটওয়ার্কিং টেকনোলজিস  ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট উইথ পিএইচপি এ্যান্ড ফ্রেমওয়ার্কস  আর্কিটেকচারাল এ্যান্ড সিভিল ক্যাড  প্রফেশনাল ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট  নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিষ্ট্রেটর  গ্রাফিক্স ভিডিও এডিটিং এ্যান্ড মোশন গ্রাফিক্স  ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ই্উজিং এএসপি ডটনেট  কøাউড কম্পিউটিং ই্উজিং ওরাকল এ্যাপ্লিকেশন এক্সপ্রেস র্কমসংস্থানের সহযোগিতা সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের দেশে ও বিদেশে চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে IsDB-BISEW কতৃপক্ষ নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে। সফলভাবে সমপ্তকারী ৭,৫০০ জনেরও বেশি দেশ বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। যেভাবে আবেদন করা যাবে অনলাইনে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে (apply.isdb-bisew.info) আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীকে বিকাশের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুসারে আবেদন ফি বাবদ ১০০ টাকা জমা দিতে হবে। প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া বর্তমানে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর তথ্যপ্রযুক্তির প্রতি আগ্রহের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের বেকারত্ব দূর করতে বছরে চারবার স্কলারশীপ প্রদান করা হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর কমপক্ষে ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে স্কলারশীপ প্রদান করা হয়। এভাবে বছরে ১,২০০ শিক্ষার্থীকে স্কলারশীপ প্রদান করা হয়।প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করে। বিস্তারিত যোগাযোগ: আইডিবি ভবন (৫ম তলা), শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭। ফোন: ৯১৮৩০০৪-৫, ই-মেইল: [email protected] । ওয়েবসাইট: www.isdb-bisew.org

post
টেক মেন্টর

শিক্ষার্থীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন পিপলএনটেক’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থীদের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।আজ ১৯ জুলাই ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থীদের ঈদ শুভেচ্ছা জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফারহানা হানিপ বলেন, পিপলএনটেক’র চেষ্টা থাকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে যেন আমাদের শিক্ষার্থীরা এখানে সর্বোচ্চ সুবিধা পায়। বিশ্বের মোট ১১টি দেশে আমাদের ইন্সটিটিউট রয়েছেন। পিপলএনটেক এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীকে আইটি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের উন্নত বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। যারা বেশিরভাগই আগে আমেরিকায় অড জব করতেন। এখন তারা ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ডলার বেতনে চাকরি করছেন। তিনি বলেন, পিপলএনটেক বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের সহকর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আমরা এত দূর আসতে পেরেছি। আমাদের পিপলএনটেকে’র প্রতিটি টিম খুব চৌকস। বিশেষ করে ধন্যবাদ দিতে হয় আমাদের সফটওয়্যার টিমকে। ফারহানা হানিপ বলেন, এই করোনা মহামারির মধ্যে আমরা আমাদের পিপলএনটেকের ডিএমডি মোঃ ইউসুফ খানকে হারিয়েছি, যার স্বপ্ন ছিল প্রতিষ্ঠানটিকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে। এই করোনা পরিস্থিতির শুরুতে তার নেতৃত্বে প্রায় ২ কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি দিয়েছি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু পিপলএনটেক তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং করোনার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই মহামারিতে আমরা চেষ্টা করেছি সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট পর্যন্ত অনলাইনে সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে দিচ্ছি শিক্ষার্থীদের। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে পিপলএনটেক’র ক্যাম্পাস বাংলাদেশসহ ভার্জিনিয়া থেকে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়ায় বিস্তৃত হয়েছে। অনলাইনেও ক্লাস নিচ্ছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা। এরমধ্যে নারীদের সংখ্যাও অনেক এবং ইতিমধ্যেই অনেকে বিভিন্ন কোম্পানীর নেতৃত্ব লাভ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রবাসী অভিবাসীদের প্রযুক্তি প্রশিক্ষণদানে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য পিপলএনটেকের প্রচেষ্টাকে ‘বৈপ্লবিক উদ্যোগ’ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আবুবকর হানিপকে একজন ‘ম্যাজিকম্যান’ উপাধি দিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.