বাংলাদেশের মানুষের নানা কারণে ভারতে যেতে হয়। অনেকের জন্য এটা এতটা জরুরি যে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোয় উপচে পড়া ভিড় দেখেই অনুমান করা যায়।
যমুনা ফিউচার পার্কের ভারতীয় ভিসা আবেদন সেন্টারের এ দৃশ্যটি প্রতিদিনের।
মেডিকেল ভিসা, বিজনেস ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, ট্রানজিট ভিসাসহ প্রতিদিন আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। সারা দেশের ১৬টি কেন্দ্রে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ১০ হাজারের কম নয়।
বুধবার (২৫ অ্ক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায় ভুক্তভোগীদের অসুস্থতা অবস্থায় ভিসা আবেদন করতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এছাড়াও অনেক বাবা- মা ভিসা আবেদন করতে শিশুদের নিয়ে এসে পড়েছেন বিপাকে।
এম. এ হামিদ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, 'ভিসা আবেদন করার পর শুধু পাসপোর্ট জমা দিতেই সময় লাগছে এক থেকে দেড় মাস, আবার প্রক্রিয়া শেষে শেষে সেই পাসপোর্ট ফিরে পেতে সময় লাগছে পনের থেকে বিশ দিন। ভিসা পেতে তাহলে কতদিন লাগবে? এই সমস্যাটি অত্যন্ত ভোগান্তির'।
ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা আরো বলেন, 'একসময় ভারতীয় ভিসা দিনে দিনে পাওয়া যেত। সকালে ভারতীয় দূতাবাসে আবেদন জমা দিলে বিকেলেই পাওয়া যেত ভিসা। পাকিস্তান আমল তো বটেই, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বেশ কয়েক বছর শুধু ভারত ভ্রমণের জন্য এক পাসপোর্ট ছিল; আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য আরেক পাসপোর্ট'।
ক্রমান্বয়ে ভারতে যাওয়ার আলাদা পাসপোর্ট বিলুপ্ত হয়ে একক আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট হয়েছে। তবে সমস্যা হলো, ভারতীয় ভিসা পেতে এখন এক দিনের পরিবর্তে এক মাস নয়, তার চেয়েও বেশি সময় লাগছে। কখনো তা ৪০ দিন বা তারও বেশি।
এর ফলে অনেকটা সময় ধরে পাসপোর্ট আটকে থাকছে, যা আবেদনকারীর জন্য ভোগান্তির সৃষ্টি করছে। এটাকে অনেকেই ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করছেন।
