জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও, দলটির অনেক নেতাই ভিন্নরূপে রয়েছেন ভোটের মাঠে। বিএনপির অনেক নেতা স্বতন্ত্র পার্থী হিসেবে ভোট করছেন, এছাড়া বিএনএফ, বিএনএম ও তৃণমূল বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রার্থী হয়েছেন অনেকেই। এমনকি, বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়েও ভোটে এসেছেন শীর্ষস্থানীয় নেতা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাচ্ছে না বলা হলেও, দলটির অনেক নেতাই শেষপর্যন্ত ভোটের মাঠে নেমেছেন। দল ভোটে না আসলেও ভিন্নরুপে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপির অনেক নেতা।
মনোনয়ন জমা দেয়ার সময়সীমার শেষমহূর্তে চমক দেখান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর; দল থেকে পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
এদিক, প্রয়াত নাজমুল হুদার দল তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দিয়ে বিএনপির সাবেক দুই হেভিওয়েট নেতা শমসের মুবিন চৌধুরী সিলেট-৫ আসনে এবং তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
মৌলভীবাজার-১ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আনোয়ার হোসেন ওরফে মঞ্জু।
বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েই ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মনোনয়ন দাখিল করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান।
বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক শওকত মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন কুমিল্লা-৫ আসনে।
অন্যদিকে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে (বিএনএম) যোগ দিয়ে অংশ নিচ্ছেন এবারের নির্বাচনে। দলটির হয়ে ফরিদপুর-১ আসনে প্রার্থী শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, বরগুনা-২ আসনের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের শাসমুর সালেহীন, ঝিনাইদহ-১ আসনের মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব প্রার্থী হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনজুর আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে নেমেছেন। এছাড়া মেহেরপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি আবদুল গনি; আর ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপির সাবেক সাংসদ শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরও স্বতন্ত্রভাবে ভোটে দাঁড়িয়েছেন।
এছাড়া বিএনপি থেকে বেরিয়ে আসা আরও অনেক নেতাই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দলে বড় পদপদবি না থাকায় তারা সেভাবে আলোচনায় না এলেও সরব রয়েছেন ভোটের মাঠে।
