ভারতের গুজরাটের মরবিতে একটি ঝুলন্ত সেতু ছিঁড়ে ১৩২ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন। ঐতিহাসিক মরবি সেতুটি অনেক বছরের পুরোনো। সেতুটি মেরামতের পর চার দিন আগে (২৬ অক্টোবর) সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু এটি উন্মুক্ত করার আগে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি বা এর ফিটনেস সনদ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় মিনিউসিপ্যাল প্রধান ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিকে এ কথা বলেন।
ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, সেতু ভেঙে পড়ে প্রাথমিক হিসেবে ৯০ জনের বেশি মারা গেছেন। ৮০ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নিখোঁজ ছিলেন ২০০ জনের বেশি। পরে মৃতের সংখ্যা ১৩২ জনে দাঁড়ায়।
অরেভা নামের একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠান সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে সেতুটি মেরামতের কাজ পায়। সেতুটি মেরামত শুরুর পর থেকে সাত মাস এটি বন্ধ ছিল। গত ২৬ অক্টোবর এটি খুলে দেওয়া হয়।
মরবি মিউনিসিপ্যাল এজেন্সি প্রধান সন্দীপন জালা বলেন, অরেভা কোনো ফিটনেস সনদ না নিয়েই সেতুটি চালু করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, এটা সরকারি টেন্ডার। অরেভা গ্রুপের সেতুটি উন্মুক্ত করার আগে মেরামতের বিস্তারিত জানিয়ে ফিটনেস সনদ দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তারা সেটা করেনি। সরকার এটার বিষয়ে অবগত ছিল না।
রোববার সন্ধ্যার দিকে ধসে পড়ার সময় সেতুটিতে আনুমানিক ৫০০ মানুষ ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সেতুটিতে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছেন। তারা এর ওপর দৌড়াচ্ছেন, লাফাচ্ছেন। তাদের এরকম কর্মকাণ্ডের জন্য সেতুটি দুলছিল।
