হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ফ্লাইটে রেকর্ড ২৪৮ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) কোরিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ঢাকার দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ১ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৯৮৬ বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় গিয়েছিল, যা ২০০৮ সালে কোরিয়ার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যা। এর মাধ্যমে কোরিয়ান সরকার নিম্ন ও মাঝারি দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে।
কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কুন বলেন, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ প্রায় ৫ হাজার ২০০ বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কোরিয়া ও বাংলাদেশ উভয় দেশেই করোনা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১১৩ জন কর্মী কোরিয়ায় গিয়েছেন। তবে নভেম্বর থেকে প্রতি সপ্তাহে কোরিয়ায় যাওয়া কর্মীর সংখ্যা বেড়ে ১৫০ জনে উন্নীত হবে। তাছাড়া প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ১০০ কর্মী যোগ হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২৩ সালে সাপ্তাহিক প্রায় ১৫০ বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জন্য ইপিএস কোটা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ অনেক কোরিয়ান নিয়োগকর্তা বাংলাদেশি কর্মীদের পরিশ্রম এবং বিশ্বস্ততার প্রতি সন্তুষ্ট।
ঢাকার ইপিএস সেন্টারের কিম ডং-চ্যান আশা করেন, কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরও বেশি বাংলাদেশি নারী কোরিয়ায় ইপিএসের মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তিনি বলেন, কোরিয়ার কারখানায় মহিলা ও পুরুষ কর্মীরা একই স্তরের বেতন পেয়ে থাকেন। সেপ্টেম্বরে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ২০ হাজার কর্মীর জন্য কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা ২০২৩ সালের জানুয়ারির শেষে শুরু হবে।
