যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট সোসাইটির উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসার হোসেন চৌধুরীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ শুক্রবার সকাল ১১ টায় লং আইল্যান্ডের ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল পার্কে তার মরদেহ দাফন করা হবে। নর্থ ব্রঙ্কসে স্মরণকালের বৃহৎ এ জানাজায় বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী নেতাসহ সর্বস্তরের প্রবাসীরা আনসার হোসেনের জানাজায় উপস্থিত হয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
কফিনে মোড়ানো আনসার হোসেন চৌধুরীকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে অনেকের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়। নেমে আসে শোকের ছায়া। তিনি দেশে-প্রবাসে নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। আনসার চৌধুরীর জানাজার নামাজে ইমামতি করেন নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব হাফিজ মুসাদ্দেক আহমেদ। দোয়া পরিচালনা করেন ব্রঙ্কসের গাউছিয়া মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা মাশহুদ ইকবাল।
জানাজার আগে বক্তব্য দেন মরহুম আনসার হোসেন চৌধুরীর মেয়ে জামাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তোফায়েল চৌধুরী লিটন, তার বড় ছেলে মুস্তাকিম চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সাবেক সাংসদ এমএম শাহিন, নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, প্রবীণ কমিউনিটি লিডার আলহাজ ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, নর্থ ব্রঙ্কসের বাসিন্দা ও মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট সোসাইটি অব ইউএসএ’র (ইনক) উপদেষ্টা কমিউনিটির পরিচিত মুখ বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসার হোসেন চৌধুরী। সম্প্রতি বাংলাদেশে যাওয়ার পথে কুয়েত এয়ারপোর্টে অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মরহুম আনসার হোসেন চৌধুরীর প্রথম জানাজার নামাজ কুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়। তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর গ্রামে।
